রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর নোহালী ও চর বাগডরা এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও গৃহহারা পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম মুকুল।বৃহস্পতিবার ভাঙনকবলিত এলাকায় গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্দশার কথা শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।মো. আনোয়ারুল ইসলাম মুকুল বলেন, “আমি তিস্তা পাড়ের মানুষ।
আরও পড়ুন, ভাঙাচোরা সড়কে স্থবির মাদারীপুর পৌরসভা, দুর্ভোগে প্রায় দুই লাখ মানুষ
তিস্তা নদীর ভাঙনে সর্বস্ব হারানো মানুষের কষ্ট আমি জানি এবং অনুভব করি। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।”তিনি তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।তিনি আরও বলেন, তিস্তার ভাঙনে যাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমিসহ সহায়-সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত ত্রাণ বিতরণ গৃহহারা পরিবার

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর নোহালী ও চর বাগডরা এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও গৃহহারা পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম মুকুল।বৃহস্পতিবার ভাঙনকবলিত এলাকায় গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্দশার কথা শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।মো. আনোয়ারুল ইসলাম মুকুল বলেন, “আমি তিস্তা পাড়ের মানুষ।
আরও পড়ুন, ভাঙাচোরা সড়কে স্থবির মাদারীপুর পৌরসভা, দুর্ভোগে প্রায় দুই লাখ মানুষ
তিস্তা নদীর ভাঙনে সর্বস্ব হারানো মানুষের কষ্ট আমি জানি এবং অনুভব করি। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।”তিনি তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।তিনি আরও বলেন, তিস্তার ভাঙনে যাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমিসহ সহায়-সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন