সাতক্ষীরা শহরের ১০ তলা ব্লিজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়া ও আতঙ্কে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ৫০ জন রোগী ও তাদের স্বজন আহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কাজ করে।মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের বেসমেন্টে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।আগুন লাগার পর বেসমেন্ট থেকে ধোঁয়া হাসপাতালের কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। দ্রুত নিচে নামার সময় হুড়োহুড়িতে বহু মানুষ আহত হন।
আরও পড়ুন, লাঠি হাতে রাজপথে ছাত্র-জনতা, মাদারগঞ্জে বৃষ্টিভেজা বিক্ষোভে ফিরে এল জুলাইয়ের স্মৃতি
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক মো. সাইফুজ্জামান জানান, চারটি ইউনিটের সমন্বিত চেষ্টায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুজ্জামান বলেন, উদ্ধার কার্যক্রমে পুলিশ ও বিজিবি ফায়ার সার্ভিসকে সহায়তা করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রায় দুই ঘণ্টা খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একটি অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন বেসমেন্টেই সীমাবদ্ধ ছিল এবং ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েনি। তবে ধোঁয়ার কারণে আতঙ্কজনিত পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষ আহত হয়েছেন।আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
বিষয় : রোগী হাসপাতালে আগুন আতঙ্ক ছড়িয়ে

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরা শহরের ১০ তলা ব্লিজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়া ও আতঙ্কে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ৫০ জন রোগী ও তাদের স্বজন আহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কাজ করে।মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের বেসমেন্টে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।আগুন লাগার পর বেসমেন্ট থেকে ধোঁয়া হাসপাতালের কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। দ্রুত নিচে নামার সময় হুড়োহুড়িতে বহু মানুষ আহত হন।
আরও পড়ুন, লাঠি হাতে রাজপথে ছাত্র-জনতা, মাদারগঞ্জে বৃষ্টিভেজা বিক্ষোভে ফিরে এল জুলাইয়ের স্মৃতি
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক মো. সাইফুজ্জামান জানান, চারটি ইউনিটের সমন্বিত চেষ্টায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুজ্জামান বলেন, উদ্ধার কার্যক্রমে পুলিশ ও বিজিবি ফায়ার সার্ভিসকে সহায়তা করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রায় দুই ঘণ্টা খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একটি অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন বেসমেন্টেই সীমাবদ্ধ ছিল এবং ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েনি। তবে ধোঁয়ার কারণে আতঙ্কজনিত পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষ আহত হয়েছেন।আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন