বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের উদ্যোগে খাগড়াছড়ির বন্যা ও পাহাড়ের ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ২৪ জুলাই (শুক্রবার) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতায় সদর উপজেলার মিলনপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরা। প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক হরি কিশোর ত্রিপুরা, দপ্তর সম্পাদক সুনী ত্রিপুরা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিঠুন রানী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সদর আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মিহির কান্তি ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নবলেশ্বর ত্রিপুরা লায়ন এবং ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি খঞ্জন জ্যোতি ত্রিপুরা।
আরও পড়ুন, তিস্তার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি রায়হান সিরাজী, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস
সভাপতির বক্তব্যে কমল বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর পাশে কাজ করে আসছে। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ লাঘবে সরকারি সহায়তার সমন্বয়ে এই ত্রাণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা তিন মাস পর্যন্ত ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার সুযোগ পাবেন। এ সুবিধা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও উপস্থিত অতিথিরা বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় উপকারভোগীরা বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত সহযোগিতা বন্যাদুর্গত

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের উদ্যোগে খাগড়াছড়ির বন্যা ও পাহাড়ের ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ২৪ জুলাই (শুক্রবার) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতায় সদর উপজেলার মিলনপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরা। প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক হরি কিশোর ত্রিপুরা, দপ্তর সম্পাদক সুনী ত্রিপুরা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিঠুন রানী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সদর আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মিহির কান্তি ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নবলেশ্বর ত্রিপুরা লায়ন এবং ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি খঞ্জন জ্যোতি ত্রিপুরা।
আরও পড়ুন, তিস্তার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি রায়হান সিরাজী, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস
সভাপতির বক্তব্যে কমল বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর পাশে কাজ করে আসছে। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ লাঘবে সরকারি সহায়তার সমন্বয়ে এই ত্রাণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা তিন মাস পর্যন্ত ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার সুযোগ পাবেন। এ সুবিধা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও উপস্থিত অতিথিরা বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় উপকারভোগীরা বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন