সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্ঘটনা কমাতে মাগুরার চারটি উপজেলায় একযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৮টি মামলা দায়েরের পাশাপাশি ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।বুধবার সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানের সময় বিভিন্ন যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট ব্যবহারের বিষয় কঠোরভাবে তদারকি করা হয়।
আরও পড়ুন. বিদেশে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
আইন অমান্যের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মামলা ও জরিমানা করা হয়।শুধু আইন প্রয়োগই নয়, চালক ও যাত্রীদের মধ্যে নিরাপদ সড়ক সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা।জেলা প্রশাসন বলছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং জনস্বার্থে সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। তাদের আশা, ধারাবাহিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে আসবে

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্ঘটনা কমাতে মাগুরার চারটি উপজেলায় একযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৮টি মামলা দায়েরের পাশাপাশি ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।বুধবার সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানের সময় বিভিন্ন যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট ব্যবহারের বিষয় কঠোরভাবে তদারকি করা হয়।
আরও পড়ুন. বিদেশে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
আইন অমান্যের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মামলা ও জরিমানা করা হয়।শুধু আইন প্রয়োগই নয়, চালক ও যাত্রীদের মধ্যে নিরাপদ সড়ক সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা।জেলা প্রশাসন বলছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং জনস্বার্থে সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। তাদের আশা, ধারাবাহিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে আসবে

আপনার মতামত লিখুন