নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার অন্তত ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্ষা এলেই শুরু হয় চরম দুর্ভোগ। সংযোগ সড়ক না থাকায় কিংবা কাদা ও জলাবদ্ধতায় ডুবে যাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।সবচেয়ে করুণ চিত্র উপজেলার গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মূল পাকা সড়ক থেকে প্রায় ৩০০ মিটার কাঁচা পথ পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বর্ষায় এই পথ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায়। একই পথে চলাচল করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শত শত মানুষ।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জলাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে।
আরও পড়ুন, দল থেকে বহিষ্কার, এমপি পদও ঝুঁকিতে? আসন শূন্যের ইঙ্গিত ইসির
অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্কুলে পাঠাতে চান না।শুধু গাবনা নয়, ছোট কাবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার ৩৪টি বিদ্যালয়ে একই চিত্র। কাদা-পানিতে পড়ে বই-খাতা নষ্ট হচ্ছে, আবার অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে দেখা দিচ্ছে চুলকানি ও ঘা।শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, সমস্যাটি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরেই এসব সংযোগ সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করা সম্ভব হবে এবং শিক্ষার পরিবেশও ফিরে আসবে।
বিষয় : অগ্নিসংযোগ জলাবদ্ধতা চরম দুর্ভোগ

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার অন্তত ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্ষা এলেই শুরু হয় চরম দুর্ভোগ। সংযোগ সড়ক না থাকায় কিংবা কাদা ও জলাবদ্ধতায় ডুবে যাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।সবচেয়ে করুণ চিত্র উপজেলার গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মূল পাকা সড়ক থেকে প্রায় ৩০০ মিটার কাঁচা পথ পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বর্ষায় এই পথ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায়। একই পথে চলাচল করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শত শত মানুষ।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জলাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে।
আরও পড়ুন, দল থেকে বহিষ্কার, এমপি পদও ঝুঁকিতে? আসন শূন্যের ইঙ্গিত ইসির
অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্কুলে পাঠাতে চান না।শুধু গাবনা নয়, ছোট কাবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার ৩৪টি বিদ্যালয়ে একই চিত্র। কাদা-পানিতে পড়ে বই-খাতা নষ্ট হচ্ছে, আবার অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে দেখা দিচ্ছে চুলকানি ও ঘা।শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, সমস্যাটি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরেই এসব সংযোগ সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করা সম্ভব হবে এবং শিক্ষার পরিবেশও ফিরে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন