বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি—এমআরএ। ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে।সম্প্রতি দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে এমআরএ।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
আরও পড়ুন, বস্ত্র শিল্পে গতি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ, ১৫ লাখ কর্মসংস্থানের আশা
এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সহায়তা অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের জন্য আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত, প্রয়োজন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদান এবং গ্রাহকদের সঞ্চয়ের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এমআরএ জানিয়েছে, উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে ব্যয় করা অর্থের হিসাব স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যয়নপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।বন্যাদুর্গত মানুষের আর্থিক চাপ কমাতে এমআরএর এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত বন্যাকবলিত ক্ষুদ্রঋণ

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি—এমআরএ। ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে।সম্প্রতি দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে এমআরএ।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
আরও পড়ুন, বস্ত্র শিল্পে গতি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ, ১৫ লাখ কর্মসংস্থানের আশা
এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সহায়তা অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের জন্য আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত, প্রয়োজন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদান এবং গ্রাহকদের সঞ্চয়ের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এমআরএ জানিয়েছে, উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে ব্যয় করা অর্থের হিসাব স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যয়নপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।বন্যাদুর্গত মানুষের আর্থিক চাপ কমাতে এমআরএর এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন