দেশের বস্ত্র শিল্পের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন—বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের অনেক সমস্যা দীর্ঘদিনের। অতীতের সরকারগুলো এসব সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। বর্তমান সরকার কাজ শুরু করলেও সব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে প্রায় দেড় বছর সময় লাগতে পারে।
আরও পড়ুন, সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ সড়কমন্ত্রীর
বিটিএমএ সভাপতির ভাষ্য, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি শিল্পের আর্থিক বিষয়গুলোও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় এসেছে। সরকার ইতোমধ্যে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে, যা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ।তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্যোগে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করা সম্ভব হলে দ্রুত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ডাম্পিং বা অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।সরকারের নতুন উদ্যোগ ও নীতিগত সহায়তা বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত বস্ত্র শিল্পে নতুন গতি ফিরবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী নতুন উদ্যোগ বস্ত্র শিল্প

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
দেশের বস্ত্র শিল্পের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন—বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের অনেক সমস্যা দীর্ঘদিনের। অতীতের সরকারগুলো এসব সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। বর্তমান সরকার কাজ শুরু করলেও সব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে প্রায় দেড় বছর সময় লাগতে পারে।
আরও পড়ুন, সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ সড়কমন্ত্রীর
বিটিএমএ সভাপতির ভাষ্য, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি শিল্পের আর্থিক বিষয়গুলোও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় এসেছে। সরকার ইতোমধ্যে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে, যা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ।তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্যোগে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করা সম্ভব হলে দ্রুত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ডাম্পিং বা অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।সরকারের নতুন উদ্যোগ ও নীতিগত সহায়তা বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত বস্ত্র শিল্পে নতুন গতি ফিরবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন