গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুর থানাধীন মির্জাপুর বাজারে অবস্থিত প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড কোম্পানির নামে একটি প্রতারক চক্র কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করছেন।একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ রয়েছে, বীমা ও চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫-৫০ হাজার টাকা নিয়ে সবার সাথে প্রতারণা করছেন এই চক্রটি। চক্রটির মূল হুতা ম্যানেজারমাসুদ নামে পরিচিত।এছাড়াও ১৫ থেকে 20 জন ব্যক্তি প্রতিনিয়ত মানুষকে নানান প্রলোভন দেখিয়ে এই বাণিজ্যের সাথে সঙ্গবদ্ধ কার্যক্রমে লিপ্ত আছেন।এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে, অফিসে প্রতারক চক্রের বেশ কয়েকজন প্রতিবেদককে চারপাশে ঘিরে ধরে। প্রথমে টাকার অফার করে রাজি না হলে তাকে চাঁদাবাজ হিসেবে পুলিশে দিবেও বলে হুমকি দেন।
আরও পড়ুন, পালানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার ৩২ মামলার আসামি সম্রাট
ভুক্তভোগী সাইদুর বলেন,চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। আজ চার মাস হয়ে গেলেও আমাকে কোথাও চাকরি দিতে পারেনি। টাকা ফেরত চাইলে উল্টা হুমকি দেয়। পরে বলেন, মাঠে কাজ কর, মানুষকে বীমা করাও। কমিশন পেয়ে যাবা। আমি তার প্রস্তাবে না হয়ে,থানায় অভিযোগের কথা বলি। মাসুদ বলেন, থানা পুলিশ আমরা সব মেইন্টেন করেই কাজ করি।এ বিষয়ে, ম্যানেজার মাসুদের যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি এমনকি ফোন কলেও পাওয়া যায়নি।তবে জয়দেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : বাণিজ্য লাইফ ইন্সুরেন্স প্রতারক চক্র

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুর থানাধীন মির্জাপুর বাজারে অবস্থিত প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড কোম্পানির নামে একটি প্রতারক চক্র কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করছেন।একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ রয়েছে, বীমা ও চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫-৫০ হাজার টাকা নিয়ে সবার সাথে প্রতারণা করছেন এই চক্রটি। চক্রটির মূল হুতা ম্যানেজারমাসুদ নামে পরিচিত।এছাড়াও ১৫ থেকে 20 জন ব্যক্তি প্রতিনিয়ত মানুষকে নানান প্রলোভন দেখিয়ে এই বাণিজ্যের সাথে সঙ্গবদ্ধ কার্যক্রমে লিপ্ত আছেন।এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে, অফিসে প্রতারক চক্রের বেশ কয়েকজন প্রতিবেদককে চারপাশে ঘিরে ধরে। প্রথমে টাকার অফার করে রাজি না হলে তাকে চাঁদাবাজ হিসেবে পুলিশে দিবেও বলে হুমকি দেন।
আরও পড়ুন, পালানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার ৩২ মামলার আসামি সম্রাট
ভুক্তভোগী সাইদুর বলেন,চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। আজ চার মাস হয়ে গেলেও আমাকে কোথাও চাকরি দিতে পারেনি। টাকা ফেরত চাইলে উল্টা হুমকি দেয়। পরে বলেন, মাঠে কাজ কর, মানুষকে বীমা করাও। কমিশন পেয়ে যাবা। আমি তার প্রস্তাবে না হয়ে,থানায় অভিযোগের কথা বলি। মাসুদ বলেন, থানা পুলিশ আমরা সব মেইন্টেন করেই কাজ করি।এ বিষয়ে, ম্যানেজার মাসুদের যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি এমনকি ফোন কলেও পাওয়া যায়নি।তবে জয়দেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন