মোবাইল ইন্টারনেট ও ডাটা প্যাকের নির্ধারিত মেয়াদ নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ গ্রাহকরা। তাদের দাবি, যে ইন্টারনেট তারা নিজেদের অর্থ দিয়ে কিনছেন, সেটির নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়া ভোক্তাদের জন্য অন্যায্য।অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো ডাটা ব্যবহার করা সম্ভব না হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অব্যবহৃত ডাটা আর ব্যবহার করা যায় না। তাদের প্রশ্ন, "টাকায় কেনা ইন্টারনেটের যদি মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটির আবার মেয়াদ কেন থাকবে?"
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা অনেকেই মনে করেন, এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও গ্রাহকবান্ধব নীতি গ্রহণ করা উচিত। বিশেষ করে অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী প্যাকে স্থানান্তর (ডাটা রোলওভার) বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন অনেকে।অন্যদিকে, মোবাইল অপারেটররা সাধারণত বিভিন্ন প্যাকেজের মূল্য, নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও বাণিজ্যিক নীতির ভিত্তিতে ডাটা প্যাকের মেয়াদ নির্ধারণ করে থাকে।এ বিষয়ে ভোক্তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও মোবাইল অপারেটররা বিষয়টি পর্যালোচনা করে গ্রাহকবান্ধব সমাধানের উদ্যোগ নেবে।
বিষয় : ভোক্তা নতুন বিতর্ক ডাটা প্যাক

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
মোবাইল ইন্টারনেট ও ডাটা প্যাকের নির্ধারিত মেয়াদ নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ গ্রাহকরা। তাদের দাবি, যে ইন্টারনেট তারা নিজেদের অর্থ দিয়ে কিনছেন, সেটির নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়া ভোক্তাদের জন্য অন্যায্য।অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো ডাটা ব্যবহার করা সম্ভব না হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অব্যবহৃত ডাটা আর ব্যবহার করা যায় না। তাদের প্রশ্ন, "টাকায় কেনা ইন্টারনেটের যদি মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটির আবার মেয়াদ কেন থাকবে?"
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা অনেকেই মনে করেন, এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও গ্রাহকবান্ধব নীতি গ্রহণ করা উচিত। বিশেষ করে অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী প্যাকে স্থানান্তর (ডাটা রোলওভার) বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন অনেকে।অন্যদিকে, মোবাইল অপারেটররা সাধারণত বিভিন্ন প্যাকেজের মূল্য, নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও বাণিজ্যিক নীতির ভিত্তিতে ডাটা প্যাকের মেয়াদ নির্ধারণ করে থাকে।এ বিষয়ে ভোক্তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও মোবাইল অপারেটররা বিষয়টি পর্যালোচনা করে গ্রাহকবান্ধব সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন