আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।এ বছরের প্রতিপাদ্য—‘তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি।’ দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তারা জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের পাশাপাশি তরুণদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, আষাঢ়ের টানা বৃষ্টি দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ ১৪ জেলায়
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন।দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে। জাতীয় দৈনিকগুলোও প্রকাশ করছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।উল্লেখ্য, জনসংখ্যা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
বিষয় : কর্মসূচি স্বপ্ন বাস্তবায় জনসংখ্যা দিবস

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।এ বছরের প্রতিপাদ্য—‘তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি।’ দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তারা জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের পাশাপাশি তরুণদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, আষাঢ়ের টানা বৃষ্টি দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ ১৪ জেলায়
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন।দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে। জাতীয় দৈনিকগুলোও প্রকাশ করছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।উল্লেখ্য, জনসংখ্যা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন