দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

হাঁটু পানি, বন্ধ জীবিকা জলাবদ্ধতায় অবরুদ্ধ সাতক্ষীরা

হাঁটু পানি, বন্ধ জীবিকা জলাবদ্ধতায় অবরুদ্ধ সাতক্ষীরা
হাঁটু পানি, বন্ধ জীবিকা জলাবদ্ধতায়

মাত্র দুই দিনের টানা বর্ষণেই যেন পানির নিচে চলে গেছে সাতক্ষীরা। শহর থেকে উপজেলা—প্রায় সর্বত্রই জলাবদ্ধতা। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, হাসপাতাল ও সড়ক। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, শিক্ষার্থী ও দিনমজুররা।গত দু'দিনের রাতভর টানা বর্ষণ ও দিনের থেমে থেমে বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও আশাশুনির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে মৎস্যঘের ও পুকুর। পানিতে তলিয়ে আছে খাল-বিল, বাড়ির আঙিনা এবং অসংখ্য সড়ক।সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সদর হাসপাতাল, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি কলেজ রোড থেকে মাঝখোলা 

আরো পড়ুন , কক্সবাজারের টেকনাফে দুইশতফুট উঁচু পাহাড় হতে পড়ে বন্যহাতি পা ভেঙ্গে গুরুত্বর আহত

পর্যন্ত অনেক এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অপরিষ্কার ড্রেন এবং পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। বছরের পর বছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।এদিকে টানা বৃষ্টিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভ্যানচালক ও দিনমজুররা। অন্যদিকে পানিতে ডুবে গেছে টিউবওয়েল, রান্নাঘর ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। অনেক পরিবারকে কিনে পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে।সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার রাতেই ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও কয়েকদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্নব দত্ত জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে খাল-নদী খনন, স্লুইস গেট চালু এবং ড্রেনগুলো সচল করার কাজ চলমান রয়েছে। এতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এদিকে দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি—ত্রাণ নয়, প্রয়োজন স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।


বিষয় : মাত্র দুই টানা বর্ষণেই ডুবে গেছে ঘরবাড়ি,

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


হাঁটু পানি, বন্ধ জীবিকা জলাবদ্ধতায় অবরুদ্ধ সাতক্ষীরা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

মাত্র দুই দিনের টানা বর্ষণেই যেন পানির নিচে চলে গেছে সাতক্ষীরা। শহর থেকে উপজেলা—প্রায় সর্বত্রই জলাবদ্ধতা। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, হাসপাতাল ও সড়ক। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, শিক্ষার্থী ও দিনমজুররা।গত দু'দিনের রাতভর টানা বর্ষণ ও দিনের থেমে থেমে বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও আশাশুনির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে মৎস্যঘের ও পুকুর। পানিতে তলিয়ে আছে খাল-বিল, বাড়ির আঙিনা এবং অসংখ্য সড়ক।সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সদর হাসপাতাল, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি কলেজ রোড থেকে মাঝখোলা 

আরো পড়ুন , কক্সবাজারের টেকনাফে দুইশতফুট উঁচু পাহাড় হতে পড়ে বন্যহাতি পা ভেঙ্গে গুরুত্বর আহত

পর্যন্ত অনেক এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অপরিষ্কার ড্রেন এবং পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। বছরের পর বছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।এদিকে টানা বৃষ্টিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভ্যানচালক ও দিনমজুররা। অন্যদিকে পানিতে ডুবে গেছে টিউবওয়েল, রান্নাঘর ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। অনেক পরিবারকে কিনে পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে।সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার রাতেই ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও কয়েকদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্নব দত্ত জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে খাল-নদী খনন, স্লুইস গেট চালু এবং ড্রেনগুলো সচল করার কাজ চলমান রয়েছে। এতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এদিকে দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি—ত্রাণ নয়, প্রয়োজন স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।



দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত