আজ ৭ জুলাই। ২০২৪ সালের এই দিনে সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। আন্দোলনের ইতিহাসে দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হয়।২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিতে ৭ জুলাই রাজধানীর শাহবাগকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ‘বাংলা ব্লকেড’। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, চানখাঁরপুল, আগারগাঁওসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।আন্দোলনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের কর্মীরাও অংশ নেন।
আরও পড়ুন, ডেঙ্গু শনাক্তে বড় স্বস্তি, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা বিনামূল্যে
শুধু ঢাকাই নয়, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা, সিলেট, রংপুর, সাভার, গাজীপুর, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও দিনভর কর্মসূচি চলে।সেদিন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন, পরদিনও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং দাবি আদায়ে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।৭ জুলাইয়ের ‘বাংলা ব্লকেড’ শুধু একটি অবরোধ কর্মসূচি ছিল না; এটি ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।
বিষয় : কর্মসূচি চাকরির কোটা ‘বাংলা ব্লকেড

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
আজ ৭ জুলাই। ২০২৪ সালের এই দিনে সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। আন্দোলনের ইতিহাসে দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হয়।২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিতে ৭ জুলাই রাজধানীর শাহবাগকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ‘বাংলা ব্লকেড’। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, চানখাঁরপুল, আগারগাঁওসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।আন্দোলনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের কর্মীরাও অংশ নেন।
আরও পড়ুন, ডেঙ্গু শনাক্তে বড় স্বস্তি, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা বিনামূল্যে
শুধু ঢাকাই নয়, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা, সিলেট, রংপুর, সাভার, গাজীপুর, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও দিনভর কর্মসূচি চলে।সেদিন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন, পরদিনও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং দাবি আদায়ে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।৭ জুলাইয়ের ‘বাংলা ব্লকেড’ শুধু একটি অবরোধ কর্মসূচি ছিল না; এটি ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।

আপনার মতামত লিখুন