বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর সেলেসাওদের আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচেই নিজের পরিণত ফুটবল দিয়ে আলো ছড়াচ্ছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।তবে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পেছনে রয়েছে বড় একটি কারণ—কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনা।রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্রাজিল জাতীয় দলেও ভিনিসিয়ুসের ভূমিকায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন আনচেলত্তি। আগে যেখানে তিনি মূলত বাম প্রান্তে সীমাবদ্ধ ছিলেন, এখন তাকে খেলানো হচ্ছে আরও ভেতরের দিকে। ফলে শুধু ড্রিবলিং নয়, গোল করা, সুযোগ তৈরি এবং আক্রমণের নেতৃত্ব—সব ক্ষেত্রেই আরও কার্যকর হয়ে উঠেছেন তিনি।এই পরিবর্তনের ফলও মিলছে মাঠে। বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই চারটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট
আরো পড়ুন , ৩১ মিনিটেই বাজিমাত, ইকুয়েডরকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে মেক্সিকো
করেছেন ভিনিসিয়ুস। তার অবস্থান বদলের কারণে বাম দিক দিয়ে সহজেই ওপরে উঠতে পারছেন ডগলাস সান্তোস। একই সঙ্গে লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো গিমারায়েসের সঙ্গে আক্রমণভাগের সমন্বয়ও হয়েছে আরও শক্তিশালী।শুধু আক্রমণ নয়, রক্ষণেও বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন ভিনিসিয়ুস। জাপানের বিপক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বল উদ্ধার করে তিনি প্রমাণ করেছেন, এখন তিনি কেবল একজন উইঙ্গার নন—বরং দলের পূর্ণাঙ্গ একজন ফুটবলার।ব্রাজিল হয়তো আগের মতো 'জোগো বনিতো'র ঝলক প্রতিটি ম্যাচে দেখাতে পারছে না। তবে আনচেলত্তির অধীনে দলটি এখন অনেক বেশি সংগঠিত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ফলমুখী। আর সেই দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।এখন দেখার বিষয়, নকআউট পর্বেও কি একই ছন্দ ধরে রেখে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ শিরোপার আরও কাছে নিয়ে যেতে পারেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর সেলেসাওদের আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচেই নিজের পরিণত ফুটবল দিয়ে আলো ছড়াচ্ছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।তবে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পেছনে রয়েছে বড় একটি কারণ—কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনা।রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্রাজিল জাতীয় দলেও ভিনিসিয়ুসের ভূমিকায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন আনচেলত্তি। আগে যেখানে তিনি মূলত বাম প্রান্তে সীমাবদ্ধ ছিলেন, এখন তাকে খেলানো হচ্ছে আরও ভেতরের দিকে। ফলে শুধু ড্রিবলিং নয়, গোল করা, সুযোগ তৈরি এবং আক্রমণের নেতৃত্ব—সব ক্ষেত্রেই আরও কার্যকর হয়ে উঠেছেন তিনি।এই পরিবর্তনের ফলও মিলছে মাঠে। বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই চারটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট
আরো পড়ুন , ৩১ মিনিটেই বাজিমাত, ইকুয়েডরকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে মেক্সিকো
করেছেন ভিনিসিয়ুস। তার অবস্থান বদলের কারণে বাম দিক দিয়ে সহজেই ওপরে উঠতে পারছেন ডগলাস সান্তোস। একই সঙ্গে লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো গিমারায়েসের সঙ্গে আক্রমণভাগের সমন্বয়ও হয়েছে আরও শক্তিশালী।শুধু আক্রমণ নয়, রক্ষণেও বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন ভিনিসিয়ুস। জাপানের বিপক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বল উদ্ধার করে তিনি প্রমাণ করেছেন, এখন তিনি কেবল একজন উইঙ্গার নন—বরং দলের পূর্ণাঙ্গ একজন ফুটবলার।ব্রাজিল হয়তো আগের মতো 'জোগো বনিতো'র ঝলক প্রতিটি ম্যাচে দেখাতে পারছে না। তবে আনচেলত্তির অধীনে দলটি এখন অনেক বেশি সংগঠিত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ফলমুখী। আর সেই দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।এখন দেখার বিষয়, নকআউট পর্বেও কি একই ছন্দ ধরে রেখে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ শিরোপার আরও কাছে নিয়ে যেতে পারেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

আপনার মতামত লিখুন