ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম খন্দকার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন। আদালতের অনুমোদনে কয়েক ঘণ্টার জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবারের মতো মাকে বিদায় জানান। নির্ধারিত সময় শেষে আবার তাঁকে জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় তিনি মায়ের জানাজা, দাফন ও পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া থানার জিআর-২১০/২৪ (মামলা নম্বর-২৫) মামলায় গ্রেপ্তারের পর শাহ আলম খন্দকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ছিলেন।
আরও পড়ুন, রায়পুরায় মৎস্যচাষি নির্বাচনে মৎস্য অফিসারে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,প্রদর্শনী ব্যানারে ভুয়া ঠিকানা
মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালতের অনুমোদনে তাঁকে সীমিত সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। প্যারোল চলাকালে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি সশস্ত্র পুলিশ এসকর্ট দল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনস থেকে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং ছয়জন কনস্টেবল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে তাঁকে পুনরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে নেওয়া হয়। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মায়ের জানাজা শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আসামিকে আবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয় : স্বেচ্ছাসেবক প্যারোলে মুক্তি

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম খন্দকার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন। আদালতের অনুমোদনে কয়েক ঘণ্টার জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবারের মতো মাকে বিদায় জানান। নির্ধারিত সময় শেষে আবার তাঁকে জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় তিনি মায়ের জানাজা, দাফন ও পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া থানার জিআর-২১০/২৪ (মামলা নম্বর-২৫) মামলায় গ্রেপ্তারের পর শাহ আলম খন্দকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ছিলেন।
আরও পড়ুন, রায়পুরায় মৎস্যচাষি নির্বাচনে মৎস্য অফিসারে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,প্রদর্শনী ব্যানারে ভুয়া ঠিকানা
মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালতের অনুমোদনে তাঁকে সীমিত সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। প্যারোল চলাকালে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি সশস্ত্র পুলিশ এসকর্ট দল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনস থেকে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং ছয়জন কনস্টেবল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে তাঁকে পুনরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে নেওয়া হয়। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মায়ের জানাজা শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আসামিকে আবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন