গণভোটে জনগণ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসব কথা বলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি পরিচালনা সহজ নয়। এ দেশের মানুষ অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং সংকট দেখা দিলে দ্রুত ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে ধৈর্য, সংলাপ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা।
আরও পড়ুন, ‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল’ : রাশেদ খান
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে দীর্ঘদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসঙ্গে আন্দোলন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে এগোতে পারলে দেশের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলা সহজ হবে।সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নাগরিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতি করছে। ক্ষমতায় যাওয়া নয়, মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মানুষের জীবনে স্বস্তি না এলে রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও কোনো অর্থ থাকে না।বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের প্রতি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের উদ্যোগ প্রত্যাহার করায় ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
গণভোটে জনগণ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসব কথা বলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি পরিচালনা সহজ নয়। এ দেশের মানুষ অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং সংকট দেখা দিলে দ্রুত ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে ধৈর্য, সংলাপ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা।
আরও পড়ুন, ‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল’ : রাশেদ খান
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে দীর্ঘদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসঙ্গে আন্দোলন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে এগোতে পারলে দেশের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলা সহজ হবে।সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নাগরিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতি করছে। ক্ষমতায় যাওয়া নয়, মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মানুষের জীবনে স্বস্তি না এলে রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও কোনো অর্থ থাকে না।বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের প্রতি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের উদ্যোগ প্রত্যাহার করায় ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন