ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র্যাব-৯-এর অভিযানে চোরাচালানের আনুমানিক ৭২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা উপজেলার কদমতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে কসবা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে নয়নপুর-কসবা সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে র্যাব।এ সময় একটি নীল-হলুদ রঙের কাভারভ্যান থামানোর সংকেত দিলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা
আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাভারভ্যান তল্লাশি করে ৪০টি পাটের বস্তার ভেতর থেকে ১ হাজার ৯০৫ পিস ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ টাকা। একই সঙ্গে শাড়িবাহী কাভারভ্যানটিও জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন কসবা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের মো. জাহিদ হোসেন (২৬) এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চৌব্বাস গ্রামের মঈন সরকার (২৫)।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন, পরস্পরের যোগসাজশে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে শাড়িগুলো বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের এবং জব্দকৃত আলামত কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র্যাব-৯-এর অভিযানে চোরাচালানের আনুমানিক ৭২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা উপজেলার কদমতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে কসবা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে নয়নপুর-কসবা সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে র্যাব।এ সময় একটি নীল-হলুদ রঙের কাভারভ্যান থামানোর সংকেত দিলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা
আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাভারভ্যান তল্লাশি করে ৪০টি পাটের বস্তার ভেতর থেকে ১ হাজার ৯০৫ পিস ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ টাকা। একই সঙ্গে শাড়িবাহী কাভারভ্যানটিও জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন কসবা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের মো. জাহিদ হোসেন (২৬) এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চৌব্বাস গ্রামের মঈন সরকার (২৫)।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন, পরস্পরের যোগসাজশে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে শাড়িগুলো বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের এবং জব্দকৃত আলামত কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন