লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘটেছে হৃদয়বিদারক এক হত্যাকাণ্ড। মা ও দুই মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— শাহিনুর বেগম, তার বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। গুরুতর আহত হয়েছেন মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তার। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, কসবায় বিনামূল্যে বীজ-সার পেলেন ২৬০০ কৃষক
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে পরিবারের কর্তা কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে শাহিনুর বেগম সন্তানদের নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর মজুমদার নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতার ইটপাটকেলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : গণপিটুনি সন্দেহভাজন

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘটেছে হৃদয়বিদারক এক হত্যাকাণ্ড। মা ও দুই মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— শাহিনুর বেগম, তার বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। গুরুতর আহত হয়েছেন মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তার। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, কসবায় বিনামূল্যে বীজ-সার পেলেন ২৬০০ কৃষক
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে পরিবারের কর্তা কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে শাহিনুর বেগম সন্তানদের নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর মজুমদার নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতার ইটপাটকেলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন