বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ বানৌজা ঢাকা’র মাল্টিপারপাস হলে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর জানায়, এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন”। যা সমুদ্র তথ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।সেমিনারে সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষণা সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন
বক্তারা বলেন, সমুদ্রসম্পদের নিরাপদ ও টেকসই ব্যবহারে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে নৌচলাচলের নিরাপত্তা, ব্লু ইকোনমির বিকাশ, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং উপকূলীয় উন্নয়নে এর গুরুত্ব অপরিসীম।নৌবাহিনী ১৯৮৩ সাল থেকে দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা করে আসছে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করছে। বর্তমানে এসব চার্ট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশ করা হচ্ছে, যা নৌচলাচলকে আরও নিরাপদ করেছে।বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে দেশটি নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বাড়লে বাংলাদেশের সামুদ্রিক অর্থনীতি ও গবেষণা সক্ষমতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ বানৌজা ঢাকা’র মাল্টিপারপাস হলে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর জানায়, এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন”। যা সমুদ্র তথ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।সেমিনারে সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষণা সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন
বক্তারা বলেন, সমুদ্রসম্পদের নিরাপদ ও টেকসই ব্যবহারে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে নৌচলাচলের নিরাপত্তা, ব্লু ইকোনমির বিকাশ, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং উপকূলীয় উন্নয়নে এর গুরুত্ব অপরিসীম।নৌবাহিনী ১৯৮৩ সাল থেকে দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা করে আসছে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করছে। বর্তমানে এসব চার্ট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশ করা হচ্ছে, যা নৌচলাচলকে আরও নিরাপদ করেছে।বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে দেশটি নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বাড়লে বাংলাদেশের সামুদ্রিক অর্থনীতি ও গবেষণা সক্ষমতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন