দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদন করছে বাংলাদেশ

চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদন করছে বাংলাদেশ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, দেশে বর্তমানে মাছের কোনো ঘাটতি নেই, বরং জাতীয় চাহিদার তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি।রবিবার জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা বিবেচনায় বার্ষিক মোট চাহিদা ৩৮ লাখ ৯ হাজার মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় 

আরো পড়ুন , বুধবার- বৃহস্পতিবারেই আসতে পারে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল

প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপাদিত হয়েছে।তিনি আরও জানান, দেশে উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তার জন্য মাছ আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও খাদ্যাভ্যাসের কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মাছ উৎপাদনের তুলনায় আমদানিকৃত মাছের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি। এ সময়ে ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।আমদানিকৃত মাছের তালিকায় রয়েছে টুনা, হেরিং, রূপচাঁদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড ও অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ।মন্ত্রী বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে আরও টেকসই ও উৎপাদনমুখী করতে সরকার গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতেও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিষয় : বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদন করছে বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, দেশে বর্তমানে মাছের কোনো ঘাটতি নেই, বরং জাতীয় চাহিদার তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি।রবিবার জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা বিবেচনায় বার্ষিক মোট চাহিদা ৩৮ লাখ ৯ হাজার মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় 

আরো পড়ুন , বুধবার- বৃহস্পতিবারেই আসতে পারে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল

প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপাদিত হয়েছে।তিনি আরও জানান, দেশে উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তার জন্য মাছ আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও খাদ্যাভ্যাসের কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মাছ উৎপাদনের তুলনায় আমদানিকৃত মাছের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি। এ সময়ে ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।আমদানিকৃত মাছের তালিকায় রয়েছে টুনা, হেরিং, রূপচাঁদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড ও অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ।মন্ত্রী বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে আরও টেকসই ও উৎপাদনমুখী করতে সরকার গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতেও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত