বৃষ্টি অনেকের কাছে স্বস্তি ও প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকের মুখে হাসি ফোটায়, প্রকৃতিকে করে তোলে সজীব ও প্রাণবন্ত। অথচ সেই বৃষ্টিই ফুলবাড়িয়ার অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের জীবনে বয়ে আনে দুর্ভোগ, আতঙ্ক ও নির্ঘুম রাতের দীর্ঘশ্বাস।আকাশে মেঘ জমলেই দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরে হালিমা খাতুনকে। বৃষ্টি শুরু হলেই ঘরের জরাজীর্ণ চাল দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ে বিছানায়। বিছানা, কাপড়চোপড় ও সামান্য গৃহস্থালি জিনিসপত্র রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। তবুও শেষ রক্ষা হয় না। ভেজা বিছানা, অন্ধকার ঘর আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই কাটছে তার জীবন।ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলা গ্রামের বাসিন্দা হালিমা খাতুন (৫০)। প্রায় ১৬ বছর আগে দুই সন্তান রেখে মারা যান তার স্বামী হাবুল মিয়া। এরপর থেকেই জীবনের কঠিন সংগ্রাম একাই বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।হালিমার বসতঘরটি এখন বসবাসের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে। নেই বিদ্যুৎ সংযোগও। গরমের রাতে অন্ধকার ঘরে কষ্ট করে দিন কাটাতে হয় তাকে।জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন হালিমা।]
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের উপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্টিত
যা পায় তা দুই সন্তান নিয়ে কোনরকম দিন পার করে, সারাদিন পরিশ্রমের পর ফিরে আসেন ছোট্ট ভাঙাচোরা ঘরে। বয়স ও দারিদ্র্যের ভারে ক্লান্ত এই নারী এখন শুধু মাথা গোঁজার জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়ের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হালিমা খাতুন। একটি নিরাপদ ঘরের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাকে। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প কিংবা কোনো মানবিক সহায়তা পেলে হয়তো তার জীবন কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেতে পারে।দুই সন্তানের জননী হালিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “বৃষ্টি হলেই ঘরের সবকিছু ভিজে যায়। পলিথিন দিয়ে বিছানা ঢেকে রাখি। ঘরে বিদ্যুৎও নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটাই। আমার শুধু থাকার মতো একটা নিরাপদ ঘর চাই।”এলাকাবাসীর দাবি, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, মানবিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন, তাহলে অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয়ে
বিষয় : বৃষ্টিপাত অন্ধকার বিধবা হালিমা

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
বৃষ্টি অনেকের কাছে স্বস্তি ও প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকের মুখে হাসি ফোটায়, প্রকৃতিকে করে তোলে সজীব ও প্রাণবন্ত। অথচ সেই বৃষ্টিই ফুলবাড়িয়ার অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের জীবনে বয়ে আনে দুর্ভোগ, আতঙ্ক ও নির্ঘুম রাতের দীর্ঘশ্বাস।আকাশে মেঘ জমলেই দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরে হালিমা খাতুনকে। বৃষ্টি শুরু হলেই ঘরের জরাজীর্ণ চাল দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ে বিছানায়। বিছানা, কাপড়চোপড় ও সামান্য গৃহস্থালি জিনিসপত্র রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। তবুও শেষ রক্ষা হয় না। ভেজা বিছানা, অন্ধকার ঘর আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই কাটছে তার জীবন।ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলা গ্রামের বাসিন্দা হালিমা খাতুন (৫০)। প্রায় ১৬ বছর আগে দুই সন্তান রেখে মারা যান তার স্বামী হাবুল মিয়া। এরপর থেকেই জীবনের কঠিন সংগ্রাম একাই বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।হালিমার বসতঘরটি এখন বসবাসের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে। নেই বিদ্যুৎ সংযোগও। গরমের রাতে অন্ধকার ঘরে কষ্ট করে দিন কাটাতে হয় তাকে।জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন হালিমা।]
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের উপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্টিত
যা পায় তা দুই সন্তান নিয়ে কোনরকম দিন পার করে, সারাদিন পরিশ্রমের পর ফিরে আসেন ছোট্ট ভাঙাচোরা ঘরে। বয়স ও দারিদ্র্যের ভারে ক্লান্ত এই নারী এখন শুধু মাথা গোঁজার জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়ের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হালিমা খাতুন। একটি নিরাপদ ঘরের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাকে। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প কিংবা কোনো মানবিক সহায়তা পেলে হয়তো তার জীবন কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেতে পারে।দুই সন্তানের জননী হালিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “বৃষ্টি হলেই ঘরের সবকিছু ভিজে যায়। পলিথিন দিয়ে বিছানা ঢেকে রাখি। ঘরে বিদ্যুৎও নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটাই। আমার শুধু থাকার মতো একটা নিরাপদ ঘর চাই।”এলাকাবাসীর দাবি, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, মানবিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন, তাহলে অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয়ে

আপনার মতামত লিখুন