দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়ন বাসীর ভাগ্যোন্নয়ন এবং মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে নিয়ে সেবক হয়ে থাকতে চান উমেদ নগর গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান লন্ডন টাওয়ার হ্যামলেটে বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী হুমায়ূন খান । সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২৬ কে সামনে রেখে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে কে কাকে পেতে চান বা কে মেধাবী, যোগ্য-সৎ ইত্যাদি নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন গ্রাম এলাকার দোকানের চা-আড্ডায়। একেক প্রার্থীর পক্ষে তার নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকরা চালাচ্ছেন নানামুখী আলোচনা এবং করছেন অন্য প্রার্থীর সমালোচনাও। স্মার্ট, সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, আদর্শবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ূন খানকে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ মানুষসহ বিএনপির তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির এই নেতা পতিত আওয়ামী সরকারের আমলেও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের খোঁজখবর নেয়াসহ রাজানগর ইউনিয়নে নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে অব্যাহতভাবে নিয়োজিত রেখেছিলেন। অসহায় কর্মীদের সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে গড়ে নিয়েছেন বলেও জানা যায়।
আরও পড়ুন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ঢল
এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির কিছু তৃণমূল কর্মীর সাথে কথা হয়। অনেকেই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে আশাবাদী, আপনারা কাকে যোগ্য ভাবছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর সঠিক মূল্যায়ন এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একজন সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। আমরা মনে করি, যে তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠবে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শিক পরিবারের সন্তান হবে, তার কাছেই বর্তমানে সাধারণ নিরাপদ মানুষ নিরাপদ। আমাদের দেখা হুমায়ূন খান একজন তৃণমূল বিএনপির প্রাণ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। হুমায়ুন খানের মরহুম পিতা বশারত আলী খান শিক্ষকতার পাশাপাশি অতিতে রাজানগর ইউনিয়নের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছু না কিছু করেছেন। গচিয়া প্রাইমারি স্কুলের সাবেক সফল শিক্ষক পিতার বশারত আলী খানের হাত ধরেই ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন শহীদ জিয়ার আদর্শিক মানুষ হিসেবে। আমরা চাই সৎ-যোগ্য মানুষের হাতেই আমাদের নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হোক। দলের সিদ্ধান্ত ও জনগণের সমর্থন নিয়ে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আগামী দিনে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও মনে করেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়ন বাসীর ভাগ্যোন্নয়ন এবং মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে নিয়ে সেবক হয়ে থাকতে চান উমেদ নগর গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান লন্ডন টাওয়ার হ্যামলেটে বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী হুমায়ূন খান । সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২৬ কে সামনে রেখে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে কে কাকে পেতে চান বা কে মেধাবী, যোগ্য-সৎ ইত্যাদি নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন গ্রাম এলাকার দোকানের চা-আড্ডায়। একেক প্রার্থীর পক্ষে তার নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকরা চালাচ্ছেন নানামুখী আলোচনা এবং করছেন অন্য প্রার্থীর সমালোচনাও। স্মার্ট, সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, আদর্শবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ূন খানকে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ মানুষসহ বিএনপির তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির এই নেতা পতিত আওয়ামী সরকারের আমলেও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের খোঁজখবর নেয়াসহ রাজানগর ইউনিয়নে নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে অব্যাহতভাবে নিয়োজিত রেখেছিলেন। অসহায় কর্মীদের সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে গড়ে নিয়েছেন বলেও জানা যায়।
আরও পড়ুন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ঢল
এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির কিছু তৃণমূল কর্মীর সাথে কথা হয়। অনেকেই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে আশাবাদী, আপনারা কাকে যোগ্য ভাবছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর সঠিক মূল্যায়ন এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একজন সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। আমরা মনে করি, যে তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠবে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শিক পরিবারের সন্তান হবে, তার কাছেই বর্তমানে সাধারণ নিরাপদ মানুষ নিরাপদ। আমাদের দেখা হুমায়ূন খান একজন তৃণমূল বিএনপির প্রাণ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। হুমায়ুন খানের মরহুম পিতা বশারত আলী খান শিক্ষকতার পাশাপাশি অতিতে রাজানগর ইউনিয়নের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছু না কিছু করেছেন। গচিয়া প্রাইমারি স্কুলের সাবেক সফল শিক্ষক পিতার বশারত আলী খানের হাত ধরেই ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন শহীদ জিয়ার আদর্শিক মানুষ হিসেবে। আমরা চাই সৎ-যোগ্য মানুষের হাতেই আমাদের নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হোক। দলের সিদ্ধান্ত ও জনগণের সমর্থন নিয়ে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আগামী দিনে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও মনে করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন