কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা ও পূর্ব ফুলমতি এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানের খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। স্থানীয়দের মধ্যে অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের অভিযোগ ওঠায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং মাদক সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সম্ভাব্য মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন বলেও জানা গেছে।
অভিযান চলাকালে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষসহ নানা বয়সী মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। অনেকেই মাদকবিরোধী এই কার্যক্রমকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং প্রশাসনের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। স্থানীয়দের মতে, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার সমাজে নানা ধরনের অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক অবক্ষয়ের জন্ম দিচ্ছে। তাই মাদক নির্মূলে কঠোর ও নিয়মিত অভিযান সময়ের দাবি।এলাকাবাসী আরও জানান, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে হলে শুধু অভিযান নয়, একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও জরুরি। তারা প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।
আরও পড়ুন, ঢাকা–কিশোরগঞ্জ সড়কে দুর্ঘটনা: আহত ৩, ট্রাকচালক পলাতক
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযানে কোনো ব্যক্তি আটক, গ্রেপ্তার বা মাদকদ্রব্য জব্দের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হতে পারে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও তথ্য প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সহযোগিতায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বিষয় : আইনশৃঙ্খলা অভিযান মাদকবিরোধী

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা ও পূর্ব ফুলমতি এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানের খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। স্থানীয়দের মধ্যে অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের অভিযোগ ওঠায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং মাদক সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সম্ভাব্য মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন বলেও জানা গেছে।
অভিযান চলাকালে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষসহ নানা বয়সী মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। অনেকেই মাদকবিরোধী এই কার্যক্রমকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং প্রশাসনের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। স্থানীয়দের মতে, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার সমাজে নানা ধরনের অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক অবক্ষয়ের জন্ম দিচ্ছে। তাই মাদক নির্মূলে কঠোর ও নিয়মিত অভিযান সময়ের দাবি।এলাকাবাসী আরও জানান, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে হলে শুধু অভিযান নয়, একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও জরুরি। তারা প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।
আরও পড়ুন, ঢাকা–কিশোরগঞ্জ সড়কে দুর্ঘটনা: আহত ৩, ট্রাকচালক পলাতক
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযানে কোনো ব্যক্তি আটক, গ্রেপ্তার বা মাদকদ্রব্য জব্দের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হতে পারে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও তথ্য প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সহযোগিতায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন