রাজধানীর সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার মিজ. সারাহ কুক।বুধবার বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর টিমোথি ডাকেট এবং দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) কেটি ওয়ার্ড উপস্থিত ছিলেন।আলোচনায় উঠে আসে নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক।
আরও পড়ুন , রাত নামলেই বাড়বে গরম, সারাদেশে অস্বস্তিকর ভোগান্তি
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ সময় বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংসদ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং উন্নয়ন সহযোগিতায় যুক্তরাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা করেন।অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর ছায়া সরকার ও ছায়া বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা করেন বলেও বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমেদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার মিজ. সারাহ কুক।বুধবার বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর টিমোথি ডাকেট এবং দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) কেটি ওয়ার্ড উপস্থিত ছিলেন।আলোচনায় উঠে আসে নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক।
আরও পড়ুন , রাত নামলেই বাড়বে গরম, সারাদেশে অস্বস্তিকর ভোগান্তি
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ সময় বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংসদ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং উন্নয়ন সহযোগিতায় যুক্তরাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা করেন।অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর ছায়া সরকার ও ছায়া বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা করেন বলেও বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমেদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন