উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড প্রকল্প চলতি বছরের নভেম্বরেই শেষ হচ্ছে। এরপর প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।তিনি বলেন, স্মার্টকার্ড বা আইডিইএ প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। এরপর প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।স্মার্টকার্ডে থাকা চিপ ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেন, চিপে ডেটা থাকলেও চিপ রিডার এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তবে তিনি বলেন, এটি অস্বীকার করার কিছু নেই।
আরও পড়ুন, দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় ৩ শিশুর মৃত্যু
ইসি সচিব জানান, চিপে নাগরিকদের মৌলিক তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, যেমন নাম, ছবি, পিতামাতার নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, রক্তের গ্রুপ ও ধর্ম। এসব তথ্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া ছাড়া পরিবর্তনযোগ্য নয়।তিনি আরও জানান, স্মার্টকার্ডের ডাটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে।উল্লেখ্য, ২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আইডিইএ প্রকল্প শুরু হয়। পরে ২০২০ সালে এটি আইডিইএ-২ প্রকল্প হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।তবে এখনো প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের কাছে স্মার্টকার্ড পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি পরিকল্পিত অনেক সেবাও এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিষয় : পরিকল্পনা স্মার্টকার্ড জাতীয় পরিচয়পত্র

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড প্রকল্প চলতি বছরের নভেম্বরেই শেষ হচ্ছে। এরপর প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।তিনি বলেন, স্মার্টকার্ড বা আইডিইএ প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। এরপর প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।স্মার্টকার্ডে থাকা চিপ ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেন, চিপে ডেটা থাকলেও চিপ রিডার এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তবে তিনি বলেন, এটি অস্বীকার করার কিছু নেই।
আরও পড়ুন, দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় ৩ শিশুর মৃত্যু
ইসি সচিব জানান, চিপে নাগরিকদের মৌলিক তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, যেমন নাম, ছবি, পিতামাতার নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, রক্তের গ্রুপ ও ধর্ম। এসব তথ্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া ছাড়া পরিবর্তনযোগ্য নয়।তিনি আরও জানান, স্মার্টকার্ডের ডাটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে।উল্লেখ্য, ২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আইডিইএ প্রকল্প শুরু হয়। পরে ২০২০ সালে এটি আইডিইএ-২ প্রকল্প হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।তবে এখনো প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের কাছে স্মার্টকার্ড পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি পরিকল্পিত অনেক সেবাও এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন