দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে ৯৮০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ৯৩৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ জন।
আরও পড়ুন, সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮৬ দিনে দেশে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৯ জনে। এর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯২ শিশু।সর্বশেষ মারা যাওয়া তিন শিশু ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।এদিকে একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ১৪ জন রোগী।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বিষয় : শিশুর মৃত্যু হামের উপসর্গ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে ৯৮০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ৯৩৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ জন।
আরও পড়ুন, সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮৬ দিনে দেশে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৯ জনে। এর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯২ শিশু।সর্বশেষ মারা যাওয়া তিন শিশু ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।এদিকে একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ১৪ জন রোগী।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন