মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে লেবাননে সামরিক অভিযান ঘিরে। বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই আহ্বানে সাড়া না দেওয়ার প্রকাশ্য ডাক দিয়েছেন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে বেন-গভির বলেন, “বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে না বলার এখনই উপযুক্ত সময়।” তিনি নেতানিয়াহুর আগের বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘না’ বলতেও সক্ষম হন।এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর আহ্বানের পর লেবাননে হামলা বন্ধের বিষয়ে সম্মত হয়েছে
আরো পড়ুন , দেশ নির্মম ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে: লেবাননের প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল। জানা গেছে, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প কড়া ভাষাও ব্যবহার করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান।তবে বেন-গভিরের অবস্থান একেবারেই ভিন্ন। তিনি বলেছেন, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তার মতে, এখনই ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার সময়।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বক্তব্য ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন এবং যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতপার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অংশ সামরিক চাপ বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি গাজামুখী একটি ত্রাণবাহী জাহাজ জব্দ এবং যাত্রীদের আটকের ঘটনাকে ঘিরে উপহাসমূলক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান বেন-গভির। সেই ঘটনায় দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও তার আচরণের সমালোচনা করেন।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে লেবাননে সামরিক অভিযান ঘিরে। বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই আহ্বানে সাড়া না দেওয়ার প্রকাশ্য ডাক দিয়েছেন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে বেন-গভির বলেন, “বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে না বলার এখনই উপযুক্ত সময়।” তিনি নেতানিয়াহুর আগের বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘না’ বলতেও সক্ষম হন।এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর আহ্বানের পর লেবাননে হামলা বন্ধের বিষয়ে সম্মত হয়েছে
আরো পড়ুন , দেশ নির্মম ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে: লেবাননের প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল। জানা গেছে, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প কড়া ভাষাও ব্যবহার করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান।তবে বেন-গভিরের অবস্থান একেবারেই ভিন্ন। তিনি বলেছেন, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তার মতে, এখনই ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার সময়।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বক্তব্য ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন এবং যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতপার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অংশ সামরিক চাপ বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি গাজামুখী একটি ত্রাণবাহী জাহাজ জব্দ এবং যাত্রীদের আটকের ঘটনাকে ঘিরে উপহাসমূলক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান বেন-গভির। সেই ঘটনায় দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও তার আচরণের সমালোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন