নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে ছাত্রলীগ। ঈদুল আজহা ও কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে নগর ও বিভিন্ন উপজেলায় আকস্মিক ঝটিকা মিছিল করছে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে অন্তত ১০টি ঝটিকা মিছিল হয়েছে, আর এসব ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮ থেকে ২০ জনকে।
আরও পড়ুন, বিরল নয়, তবু আলোচনায় অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’
সর্বশেষ গত ২৭ মে নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় কয়েক মিনিটের একটি ঝটিকা মিছিল করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মাত্র পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যে মিছিল শেষ করে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে এলাকা ত্যাগ করেন অংশগ্রহণকারীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়, সিআরবি, খুলশী, মেহেদীবাগ, কোতোয়ালি এবং বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত ১০টি মিছিল হয়েছে। অধিকাংশ মিছিলে ২০ থেকে ৩০ জন অংশ নেন। ২৪ এপ্রিল সবচেয়ে বেশি কর্মসূচি হয়। ওইদিন নগরের অন্তত চারটি এলাকায় মিছিলের পর ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন, কোরবানির পর বাজারে ধস, অবিক্রীত ২৩ লাখ পশু
এদিকে, পটিয়া, আনোয়ারা ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানেও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। এসব কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মামলা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবি তোলা হয়। স্থানীয় সূত্র বলছে, কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতার নেপথ্য সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে সংগঠনের উপস্থিতি জানান দেওয়ার কৌশলও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঐক্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রেসিডেন্টের
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের প্রকাশ্য কর্মসূচি করার সুযোগ নেই। যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ঈদের ব্যস্ততার সুযোগে তারা মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য পুলিশের। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক টানাপড়েন এবং সামাজিক ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে দলটির কর্মীরা। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে মানবাধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয় : গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ঝটিকা মিছিল ছাত্রলীগ

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে ছাত্রলীগ। ঈদুল আজহা ও কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে নগর ও বিভিন্ন উপজেলায় আকস্মিক ঝটিকা মিছিল করছে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে অন্তত ১০টি ঝটিকা মিছিল হয়েছে, আর এসব ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮ থেকে ২০ জনকে।
আরও পড়ুন, বিরল নয়, তবু আলোচনায় অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’
সর্বশেষ গত ২৭ মে নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় কয়েক মিনিটের একটি ঝটিকা মিছিল করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মাত্র পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যে মিছিল শেষ করে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে এলাকা ত্যাগ করেন অংশগ্রহণকারীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়, সিআরবি, খুলশী, মেহেদীবাগ, কোতোয়ালি এবং বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত ১০টি মিছিল হয়েছে। অধিকাংশ মিছিলে ২০ থেকে ৩০ জন অংশ নেন। ২৪ এপ্রিল সবচেয়ে বেশি কর্মসূচি হয়। ওইদিন নগরের অন্তত চারটি এলাকায় মিছিলের পর ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন, কোরবানির পর বাজারে ধস, অবিক্রীত ২৩ লাখ পশু
এদিকে, পটিয়া, আনোয়ারা ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানেও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। এসব কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মামলা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবি তোলা হয়। স্থানীয় সূত্র বলছে, কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতার নেপথ্য সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে সংগঠনের উপস্থিতি জানান দেওয়ার কৌশলও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঐক্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রেসিডেন্টের
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের প্রকাশ্য কর্মসূচি করার সুযোগ নেই। যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ঈদের ব্যস্ততার সুযোগে তারা মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য পুলিশের। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক টানাপড়েন এবং সামাজিক ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে দলটির কর্মীরা। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে মানবাধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন