চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন অভিযুক্ত মনির হোসেন।পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই পুরো বাকলিয়া এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে ঘিরে থাকা ভবন অবরোধ করে এবং পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
আরও পড়ুন , রামিসা হত্যায় দেশজুড়ে ক্ষোভ, দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-অবরোধ ও মানববন্ধন
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলা ও পুলিশের গাড়ি থেকে ব্যাটারি চুরির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে।এদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে নির্যাতনের শিকার শিশুটি মারা গেছে। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জানিয়েছে, শিশুটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।চিকিৎসকরা বলছেন, ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনাটির প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরও পড়ুন , ঈশ্বরদীতে দেশব্যাপী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
বিষয় : গ্রেপ্তার শিশু ধর্ষণ স্বীকারোক্তি

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন অভিযুক্ত মনির হোসেন।পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই পুরো বাকলিয়া এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে ঘিরে থাকা ভবন অবরোধ করে এবং পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
আরও পড়ুন , রামিসা হত্যায় দেশজুড়ে ক্ষোভ, দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-অবরোধ ও মানববন্ধন
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলা ও পুলিশের গাড়ি থেকে ব্যাটারি চুরির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে।এদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে নির্যাতনের শিকার শিশুটি মারা গেছে। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জানিয়েছে, শিশুটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।চিকিৎসকরা বলছেন, ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনাটির প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরও পড়ুন , ঈশ্বরদীতে দেশব্যাপী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপনার মতামত লিখুন