জুন মাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দেশজুড়ে অভিযোগের পর কিছু বিলে করণিক ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে অভিযোগ দ্রুত তদন্ত ও নিষ্পত্তির জন্য সব বিতরণ সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়িত্বে অবহেলা বা গ্রাহক হয়রানির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নজরদারিতে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে অধিকাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যাখ্যায় বলা হয়, জুন মাস থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় একই টাকায় আগের তুলনায় কম ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকদের বেশি বার রিচার্জ করতে হচ্ছে, যা অনেকের কাছে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়া হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।আরও পড়ুন, জিয়ার পথেই তারেক রহমান, বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাএছাড়া তীব্র গরম, কম বৃষ্টিপাত, ঈদুল আজহা, ফিফা বিশ্বকাপ, এসএসসি পরীক্ষা এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশি ব্যবহার করায় অনেক গ্রাহক উচ্চতর ট্যারিফ স্ল্যাবে চলে যাওয়ায় বিলও বেড়েছে।তবে কিছু ক্ষেত্রে বিল তৈরির সময় করণিক ভুলের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব বিল পুনঃযাচাই করে সংশোধনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।বিদ্যুৎ বিভাগ আরও জানিয়েছে, লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য আগের ট্যারিফ বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ, সিস্টেম লস কমানো এবং বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়াতে কাজ চলছে।যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মিটার ভাড়া নিয়ে জনমনে থাকা প্রশ্নও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।