টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ড. আয়েশা রাজিয়া খোন্দকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হান্নানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ধল্যা এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা অংশ নেন। এ সময় কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ ক্লাসে অস্বস্তিকর ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন এবং একজন নারী সহকর্মীর বাসায় ঢুকে আপত্তিকর আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ভূমি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
অভিভাবক ও অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ কাজী হান্নান নানা অনিয়ম ও অসদাচরণে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার এডহক কমিটিতে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয় মানববন্ধনে। আন্দোলনকারীরা জানান, এসব বিষয়ে একাধিক বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি, ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
এ সময় অভিভাবক খন্দকার আহমিদুল হক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং অবিলম্বে তার পদত্যাগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ কাজী হান্নান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
আরও পড়ুন, মিরপুরে সংস্কার শেষে উদ্বোধন হলো মসজিদুল আকবার ঈদগাহ মাঠ
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে এক সময় অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে তদন্ত শেষে তাকে পুনরায় কাজে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে পুনরায় দায়িত্বে যোগ দিতে গেলে বাধার মুখে পড়েন তিনি এবং এরপরই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ড. আয়েশা রাজিয়া খোন্দকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হান্নানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ধল্যা এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা অংশ নেন। এ সময় কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ ক্লাসে অস্বস্তিকর ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন এবং একজন নারী সহকর্মীর বাসায় ঢুকে আপত্তিকর আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ভূমি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
অভিভাবক ও অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ কাজী হান্নান নানা অনিয়ম ও অসদাচরণে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার এডহক কমিটিতে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয় মানববন্ধনে। আন্দোলনকারীরা জানান, এসব বিষয়ে একাধিক বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি, ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
এ সময় অভিভাবক খন্দকার আহমিদুল হক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং অবিলম্বে তার পদত্যাগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ কাজী হান্নান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
আরও পড়ুন, মিরপুরে সংস্কার শেষে উদ্বোধন হলো মসজিদুল আকবার ঈদগাহ মাঠ
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে এক সময় অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে তদন্ত শেষে তাকে পুনরায় কাজে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে পুনরায় দায়িত্বে যোগ দিতে গেলে বাধার মুখে পড়েন তিনি এবং এরপরই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন