রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নিজেই এ তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন , দুপুরের মধ্যে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
মামলায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়।ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরে আত্মগোপনে থাকা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, গ্রেপ্তার সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন।পরে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ মামলার দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন , ঈদে নিরাপদ যাত্রায় পুলিশ সদর দপ্তরের ৯ দফা পরামর্শ
বিষয় : নির্দেশনা তদন্ত রামিসা ধর্ষণ

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নিজেই এ তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন , দুপুরের মধ্যে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
মামলায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়।ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরে আত্মগোপনে থাকা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, গ্রেপ্তার সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন।পরে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ মামলার দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন , ঈদে নিরাপদ যাত্রায় পুলিশ সদর দপ্তরের ৯ দফা পরামর্শ

আপনার মতামত লিখুন