জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং আশপাশ এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
আরও পড়ুন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
সোমবার সিএমপি সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৮-এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, সিঙ্গাপুর হাইকমিশনারের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফ্লাইওভারের কয়েকটি পিলার নতুন করে রং করার পর সেখানে আঁকা ‘জুলাই গ্রাফিতি’ মুছে ফেলা হয়েছে বলে এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) দাবি করে, গ্রাফিতি মোছার কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন, চাকরিতে ঘুস-তদবিরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান হাসনাত আব্দুল্লাহর
এই ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতে টাইগারপাস চসিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে এনসিপি নেতাকর্মীরা। পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে ছাত্রদলও ওই এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করে, যার ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে গেলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সোমবারও দুই পক্ষের কর্মসূচির ঘোষণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি আহ্বানের কারণে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কিছু শিক্ষার্থী পিলারে গ্রাফিতি আঁকার জন্য জড়ো হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় এবং সেখানে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন, জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
এদিকে সকালে নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পিলারে রং করা হয়েছিল। গ্রাফিতি ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে যদি গ্রাফিতি থেকে থাকে, তাহলে সিটি করপোরেশন বা ব্যক্তিগত অর্থায়নে তা পুনরায় করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং আশপাশ এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
আরও পড়ুন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
সোমবার সিএমপি সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৮-এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, সিঙ্গাপুর হাইকমিশনারের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফ্লাইওভারের কয়েকটি পিলার নতুন করে রং করার পর সেখানে আঁকা ‘জুলাই গ্রাফিতি’ মুছে ফেলা হয়েছে বলে এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) দাবি করে, গ্রাফিতি মোছার কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন, চাকরিতে ঘুস-তদবিরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান হাসনাত আব্দুল্লাহর
এই ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতে টাইগারপাস চসিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে এনসিপি নেতাকর্মীরা। পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে ছাত্রদলও ওই এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করে, যার ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে গেলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সোমবারও দুই পক্ষের কর্মসূচির ঘোষণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি আহ্বানের কারণে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কিছু শিক্ষার্থী পিলারে গ্রাফিতি আঁকার জন্য জড়ো হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় এবং সেখানে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন, জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
এদিকে সকালে নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পিলারে রং করা হয়েছিল। গ্রাফিতি ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে যদি গ্রাফিতি থেকে থাকে, তাহলে সিটি করপোরেশন বা ব্যক্তিগত অর্থায়নে তা পুনরায় করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন