পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাহিনীর ভেতরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় অতীত বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও একাধিক কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ থানা ও জেলা পর্যায়ে ওসি ও এসপি হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে।অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানা বিতর্ক ও শাস্তিমূলক বদলির মুখে থাকা কিছু কর্মকর্তা এখন আবার রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব পাচ্ছেন। এতে বঞ্চিত কর্মকর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৩ সালে থানার সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় আসা একজন কর্মকর্তা বর্তমানে রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও পড়ুন , সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নতুন নির্দেশনা, ১৪ হাজার প্রার্থীর অতীত খতিয়ে দেখবে সরকার
একইভাবে দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে সম্প্রতি ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে।বঞ্চিত কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, “আওয়ামী শাসনামলে যাদের সুবিধাভোগী বলা হতো, তাদেরই এখন গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এতে পুলিশের পেশাদারিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”সাবেক একজন পুলিশ প্রধান বলেছেন, বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার ফলে বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনর্গঠন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।অন্যদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে একের পর এক বিতর্কিত পদায়নে পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ চাপ ও জনআস্থার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাহিনীর ভেতরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় অতীত বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও একাধিক কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ থানা ও জেলা পর্যায়ে ওসি ও এসপি হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে।অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানা বিতর্ক ও শাস্তিমূলক বদলির মুখে থাকা কিছু কর্মকর্তা এখন আবার রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব পাচ্ছেন। এতে বঞ্চিত কর্মকর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৩ সালে থানার সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় আসা একজন কর্মকর্তা বর্তমানে রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও পড়ুন , সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নতুন নির্দেশনা, ১৪ হাজার প্রার্থীর অতীত খতিয়ে দেখবে সরকার
একইভাবে দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে সম্প্রতি ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে।বঞ্চিত কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, “আওয়ামী শাসনামলে যাদের সুবিধাভোগী বলা হতো, তাদেরই এখন গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এতে পুলিশের পেশাদারিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”সাবেক একজন পুলিশ প্রধান বলেছেন, বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার ফলে বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনর্গঠন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।অন্যদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে একের পর এক বিতর্কিত পদায়নে পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ চাপ ও জনআস্থার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন