যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বা এআরটি কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। বছরের প্রথম চার মাসেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করেছে প্রায় ১৯ হাজার ১০৪ কোটি টাকার পণ্য। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১০১ শতাংশ।
আরও পড়ুন , ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ, নতুন প্রজ্ঞাপন বাংলাদেশ ব্যাংকের
অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে খুবই সামান্য, মাত্র ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকায়।এনবিআরের তথ্য বলছে, মোট আমদানির বড় অংশ এসেছে সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠান—পেট্রোবাংলা, খাদ্য অধিদপ্তর এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে।বিশ্লেষকদের মতে, এআরটি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার পণ্যের শুল্ক কমাতে বা তুলে নিতে রাজি হয়েছে। বিনিময়ে কিছু পণ্যে মার্কিন শুল্ক কমলেও, গড় এমএফএন শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে।
বিষয় : আমদানি বাণিজ্য চুক্তি

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বা এআরটি কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। বছরের প্রথম চার মাসেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করেছে প্রায় ১৯ হাজার ১০৪ কোটি টাকার পণ্য। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১০১ শতাংশ।
আরও পড়ুন , ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ, নতুন প্রজ্ঞাপন বাংলাদেশ ব্যাংকের
অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে খুবই সামান্য, মাত্র ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকায়।এনবিআরের তথ্য বলছে, মোট আমদানির বড় অংশ এসেছে সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠান—পেট্রোবাংলা, খাদ্য অধিদপ্তর এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে।বিশ্লেষকদের মতে, এআরটি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার পণ্যের শুল্ক কমাতে বা তুলে নিতে রাজি হয়েছে। বিনিময়ে কিছু পণ্যে মার্কিন শুল্ক কমলেও, গড় এমএফএন শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন