দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে অপরাধ দমন, চোরাচালান রোধ এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোন, থার্মাল ক্যামেরা এবং হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে বাহিনীটি।বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) জানান, সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়মিত টহল, অভিযান, এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পতাকা বৈঠক ও যৌথ টহলের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, অপরাধীদের আটক করে আইনের আওতায় আনা, অবৈধ স্থাপনা প্রতিরোধ এবং সীমান্ত পিলার সংরক্ষণে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আরও পড়ুন , আজ বিশ্ব মা দিবস: ভালোবাসা, মমতা আর ত্যাগের নাম “মা“
বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্ত অপরাধ দমনে শুধু অভিযান নয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও সমন্বিত কৌশল আরও জোরদার করা প্রয়োজন।বিজিবি জানিয়েছে, গত ৬ মাসে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।সংস্থাটি বলছে, আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন, বিওপি সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।দুর্গম পাহাড়, নদী ও সুন্দরবনের মতো কঠিন এলাকায়ও বিজিবি সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে অপরাধ দমন, চোরাচালান রোধ এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোন, থার্মাল ক্যামেরা এবং হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে বাহিনীটি।বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) জানান, সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়মিত টহল, অভিযান, এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পতাকা বৈঠক ও যৌথ টহলের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, অপরাধীদের আটক করে আইনের আওতায় আনা, অবৈধ স্থাপনা প্রতিরোধ এবং সীমান্ত পিলার সংরক্ষণে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আরও পড়ুন , আজ বিশ্ব মা দিবস: ভালোবাসা, মমতা আর ত্যাগের নাম “মা“
বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্ত অপরাধ দমনে শুধু অভিযান নয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও সমন্বিত কৌশল আরও জোরদার করা প্রয়োজন।বিজিবি জানিয়েছে, গত ৬ মাসে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।সংস্থাটি বলছে, আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন, বিওপি সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।দুর্গম পাহাড়, নদী ও সুন্দরবনের মতো কঠিন এলাকায়ও বিজিবি সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন