২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার শহীদদের গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, পল্টন জোন। সংগঠনটির নেতারা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সোমবার বাদ মাগরিব পল্টন জোন কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এ দাবি তোলা হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জোনের সভাপতি মুফতি সালাহ উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।
আরও পড়ুন, ভোলাহাটে হত্যা মামলার ‘নিখোঁজ’ কিশোরী ৭ বছর পর জীবিত উদ্ধার
সভায় বক্তারা বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে দমন-পীড়নের মাধ্যমে প্রাণহানি কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাদের মতে, শাপলা চত্বরের ঘটনা শুধু একটি মানবিক বিপর্যয় নয়, বরং এটি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুতর বিষয়।
আরও পড়ুন, ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে বিএনপি কর্মী সোহেল রানা হত্যা, আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি
বক্তারা আরও বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তাদের মতে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ সম্মান জানানো সম্ভব।
বিষয় : কর্মসূচি শোক হেফাজতে ইসলাম

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার শহীদদের গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, পল্টন জোন। সংগঠনটির নেতারা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সোমবার বাদ মাগরিব পল্টন জোন কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এ দাবি তোলা হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জোনের সভাপতি মুফতি সালাহ উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।
আরও পড়ুন, ভোলাহাটে হত্যা মামলার ‘নিখোঁজ’ কিশোরী ৭ বছর পর জীবিত উদ্ধার
সভায় বক্তারা বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে দমন-পীড়নের মাধ্যমে প্রাণহানি কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাদের মতে, শাপলা চত্বরের ঘটনা শুধু একটি মানবিক বিপর্যয় নয়, বরং এটি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুতর বিষয়।
আরও পড়ুন, ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে বিএনপি কর্মী সোহেল রানা হত্যা, আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি
বক্তারা আরও বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তাদের মতে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ সম্মান জানানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন