কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, মাত্র ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: দেলোয়ার হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে।
আরও পড়ুন, ফ্লোরিডায় নিহত লিমনের দাফন সম্পন্ন, জামালপুরে শোকের ছায়া
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর জর্ডান প্রবাসী বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে বিবস্ত্র করে, শরীরের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রামচন্দ্রপুর বিলের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পুলিশ জানায়, ঘটনার আগের দিন সুজন খলিফা ওরফে সুজন কানা পরিকল্পনা সভা করেন। সেখানে কয়েকজনকে নিয়ে হত্যার চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়। পরে অগ্রিম ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং হত্যার পর বাকি অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, ভোলাহাটে হত্যা মামলার ‘নিখোঁজ’ কিশোরী ৭ বছর পর জীবিত উদ্ধার
২৫ নভেম্বর সন্ধ্যার পর ভুক্তভোগী সোহেল রানাকে বাজার থেকে ডেকে নিয়ে রামচন্দ্রপুর বিল এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিল কয়েকজন। এরপর তাকে কুপিয়ে, ছুরিকাঘাত করে এবং আগুন দিয়ে শরীর বিকৃত করা হয় বলে জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। পুলিশ আরও জানায়, পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলেও কয়েকজন মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক। তদন্তে কিছু বিষয় মিললেও মূল পরিকল্পনাকারী সুজন কানার ভূমিকা ও পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।
বিষয় : গ্রেফতার কুষ্টিয়া জবানবন্দি বিএনপি কর্মী হত্যা

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, মাত্র ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: দেলোয়ার হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে।
আরও পড়ুন, ফ্লোরিডায় নিহত লিমনের দাফন সম্পন্ন, জামালপুরে শোকের ছায়া
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর জর্ডান প্রবাসী বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে বিবস্ত্র করে, শরীরের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রামচন্দ্রপুর বিলের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পুলিশ জানায়, ঘটনার আগের দিন সুজন খলিফা ওরফে সুজন কানা পরিকল্পনা সভা করেন। সেখানে কয়েকজনকে নিয়ে হত্যার চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়। পরে অগ্রিম ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং হত্যার পর বাকি অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, ভোলাহাটে হত্যা মামলার ‘নিখোঁজ’ কিশোরী ৭ বছর পর জীবিত উদ্ধার
২৫ নভেম্বর সন্ধ্যার পর ভুক্তভোগী সোহেল রানাকে বাজার থেকে ডেকে নিয়ে রামচন্দ্রপুর বিল এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিল কয়েকজন। এরপর তাকে কুপিয়ে, ছুরিকাঘাত করে এবং আগুন দিয়ে শরীর বিকৃত করা হয় বলে জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। পুলিশ আরও জানায়, পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলেও কয়েকজন মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক। তদন্তে কিছু বিষয় মিললেও মূল পরিকল্পনাকারী সুজন কানার ভূমিকা ও পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন