পার্বত্য চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিতব্য দৃষ্টিনন্দন চন্দ্রঘোনা সেতু। রাঙামাটি-বাঙালহালিয়া-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের ফেরি নির্ভরতার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্ণফুলী নদী-এর ওপর নির্মিত এই সেতুটি হবে দেশের প্রথম ক্যাবল স্টেইড প্রযুক্তির সেতু। রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাট এলাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির মোট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে থাকবে ৫৩২ মিটার ক্যাবল স্টেইড সেতু, ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট এবং ৫১১ মিটার এলিভেটেড সড়ক। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রকল্পের নকশা ও উন্নয়ন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং যাচাই কমিটির পর্যায়ে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০৩১ সালের জুনে শেষ হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
আরও পড়ুন, ‘নিজেরাই খায়, আবার বক্তৃতা দেয়’, এমপির বক্তব্য
বর্তমানে এই রুটে ফেরির ওপর নির্ভর করতে হয়, যেখানে সীমিত সংখ্যক যানবাহন পারাপার সম্ভব হয় এবং সময়ও লাগে অনেক বেশি। বিশেষ করে নদীর স্রোত বা পানির ওঠানামার কারণে অনেক সময় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে হয়, ফলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ
কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতুটি চালু হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মধ্যে সরাসরি ও বাধাহীন সড়ক যোগাযোগ স্থাপন হবে। এতে সময় ও খরচ দুটোই কমবে, পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। প্রকৌশলীরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি সেতু নয়—পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে।
বিষয় : চট্টগ্রাম ফেরি দুর্ভোগ ক্যাবল স্টেইড সেতু

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিতব্য দৃষ্টিনন্দন চন্দ্রঘোনা সেতু। রাঙামাটি-বাঙালহালিয়া-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের ফেরি নির্ভরতার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্ণফুলী নদী-এর ওপর নির্মিত এই সেতুটি হবে দেশের প্রথম ক্যাবল স্টেইড প্রযুক্তির সেতু। রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাট এলাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির মোট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে থাকবে ৫৩২ মিটার ক্যাবল স্টেইড সেতু, ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট এবং ৫১১ মিটার এলিভেটেড সড়ক। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রকল্পের নকশা ও উন্নয়ন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং যাচাই কমিটির পর্যায়ে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০৩১ সালের জুনে শেষ হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
আরও পড়ুন, ‘নিজেরাই খায়, আবার বক্তৃতা দেয়’, এমপির বক্তব্য
বর্তমানে এই রুটে ফেরির ওপর নির্ভর করতে হয়, যেখানে সীমিত সংখ্যক যানবাহন পারাপার সম্ভব হয় এবং সময়ও লাগে অনেক বেশি। বিশেষ করে নদীর স্রোত বা পানির ওঠানামার কারণে অনেক সময় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে হয়, ফলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ
কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতুটি চালু হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মধ্যে সরাসরি ও বাধাহীন সড়ক যোগাযোগ স্থাপন হবে। এতে সময় ও খরচ দুটোই কমবে, পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। প্রকৌশলীরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি সেতু নয়—পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন