প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।শিক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে বড় ধরনের নীতি ঘোষণা দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন কাঠামো বৃদ্ধি করা হবে এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে।”আগামী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জাতীয় বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
আরো পড়ুন , মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশ, প্রথম জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান
একই সঙ্গে জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।শিক্ষার মানোন্নয়নে উপবৃত্তি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার জন্য তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং বিরোধী দলের প্রস্তাব অনুযায়ী একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দ্রুত সমাধান আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।শিক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে বড় ধরনের নীতি ঘোষণা দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন কাঠামো বৃদ্ধি করা হবে এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে।”আগামী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জাতীয় বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
আরো পড়ুন , মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশ, প্রথম জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান
একই সঙ্গে জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।শিক্ষার মানোন্নয়নে উপবৃত্তি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার জন্য তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং বিরোধী দলের প্রস্তাব অনুযায়ী একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দ্রুত সমাধান আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন