পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ভোটের সম্মান না দেখানোর কারণেই মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণ যেভাবে ভোট দিয়েছিল, সেই জনমতের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তার মতে, পাকিস্তান সরকার যেমন ভোটের ফল মেনে নেয়নি, তেমনি পরবর্তী সময়েও সেই জনমতের প্রতি যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভোটের সম্মান না রাখার কারণেই অনিবার্য হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানকে সম্মান করেই রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে হবে, তবে এর পরিবর্তন নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদের
১৯৪৭ সালের সীমারেখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সেই ভূখণ্ডকেই তিনি সম্মান করেন, তবে নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক কারণে কিছু ভূমি হারানোর বিষয়ও উল্লেখ করেন। ডা. শফিকুর রহমান ১৯৭২ সালের সংবিধান ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে পরিবর্তন এনেছিলেন, ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনা জরুরি।
আরও পড়ুন, গণভোট ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজনীতি : ৭ বিভাগে সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের অপেক্ষায় আছে। এবার কথার বদলে বাস্তব কাজ দেখতে চায় জনগণ। চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কোনো দলের হতে পারে না, বরং সমাজের জন্য ক্ষতিকর চক্র।
বিষয় : ভোট মুক্তিযুদ্ধ ডা. শফিকুর রহমান

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ভোটের সম্মান না দেখানোর কারণেই মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণ যেভাবে ভোট দিয়েছিল, সেই জনমতের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তার মতে, পাকিস্তান সরকার যেমন ভোটের ফল মেনে নেয়নি, তেমনি পরবর্তী সময়েও সেই জনমতের প্রতি যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভোটের সম্মান না রাখার কারণেই অনিবার্য হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানকে সম্মান করেই রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে হবে, তবে এর পরিবর্তন নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদের
১৯৪৭ সালের সীমারেখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সেই ভূখণ্ডকেই তিনি সম্মান করেন, তবে নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক কারণে কিছু ভূমি হারানোর বিষয়ও উল্লেখ করেন। ডা. শফিকুর রহমান ১৯৭২ সালের সংবিধান ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে পরিবর্তন এনেছিলেন, ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনা জরুরি।
আরও পড়ুন, গণভোট ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজনীতি : ৭ বিভাগে সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের অপেক্ষায় আছে। এবার কথার বদলে বাস্তব কাজ দেখতে চায় জনগণ। চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কোনো দলের হতে পারে না, বরং সমাজের জন্য ক্ষতিকর চক্র।

আপনার মতামত লিখুন