জাতীয় সংসদে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা ও জাতীয় সংসদে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা বাতিল করা প্রয়োজন।তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর বিভিন্ন শর্ত ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মতে, চুক্তিতে কৃষি ও জ্বালানি আমদানির প্রতিশ্রুতি, নীতি সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরো পড়ুন , ৩৭ হাজার ৮১৪ নারী প্রধান পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংকগুলোও এর বৈধতা ও শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।তিনি দাবি করেন, একটি অনির্বাচিত সরকারের সময় এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করা উচিত হয়নি এবং এতে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তবে সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং বিষয়টি নোটিশ আকারে দিলে বিবেচনা করা হবে।এই ঘটনার পর সংসদে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বিষয় : সংসদ বাণিজ্য চুক্তি পুনর্বিবেচনা

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা ও জাতীয় সংসদে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা বাতিল করা প্রয়োজন।তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর বিভিন্ন শর্ত ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মতে, চুক্তিতে কৃষি ও জ্বালানি আমদানির প্রতিশ্রুতি, নীতি সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরো পড়ুন , ৩৭ হাজার ৮১৪ নারী প্রধান পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংকগুলোও এর বৈধতা ও শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।তিনি দাবি করেন, একটি অনির্বাচিত সরকারের সময় এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করা উচিত হয়নি এবং এতে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তবে সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং বিষয়টি নোটিশ আকারে দিলে বিবেচনা করা হবে।এই ঘটনার পর সংসদে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

আপনার মতামত লিখুন