দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

শিলাবৃষ্টি-ঝড়ের তাণ্ডব

গঙ্গাচড়ায় ঘরবাড়ি ও কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

গঙ্গাচড়ায় ঘরবাড়ি ও কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
গঙ্গাচড়ায় ঘরবাড়ি ও কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে কৃষি ও বসতবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগাম পাকা বোরো ধান, ভুট্টা ও শাক-সবজির ক্ষেত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মৌসুমের একেবারে শেষ সময়ে এমন দুর্যোগে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। জানা গেছে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত রংপুর বিভাগজুড়ে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে ভারী বর্ষণ ও বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হয়। এ সময়ে প্রায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর সঙ্গে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

আরও পড়ুন, চন্দনাইশে অটোরিকশা ও কার মাইক্রো সমিতির সাথে লায়ন রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রাকৃতিক এ দুর্যোগে ফসলের পাশাপাশি গাছপালা ও বসতবাড়িরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের পূর্ব ইচলি এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আলমবিদিতর ইউনিয়নের সয়ড়াবাড়ি গ্রামসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, আগাম পাকা ধান ঘরে তোলার আগেই শিলাবৃষ্টিতে অনেক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। একইভাবে ভুট্টা ও সবজির ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

আরও পড়ুন, নরসিংদীতে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন জানান, ক্ষতি কমাতে যেসব ধান ৮০ শতাংশ পেকেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ভুট্টার ক্ষতি তুলনামূলক কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে অন্তত চারটি ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বিষয় : রংপুর গঙ্গাচড়া কৃষক কৃষি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


গঙ্গাচড়ায় ঘরবাড়ি ও কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে কৃষি ও বসতবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগাম পাকা বোরো ধান, ভুট্টা ও শাক-সবজির ক্ষেত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মৌসুমের একেবারে শেষ সময়ে এমন দুর্যোগে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। জানা গেছে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত রংপুর বিভাগজুড়ে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে ভারী বর্ষণ ও বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হয়। এ সময়ে প্রায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর সঙ্গে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

আরও পড়ুন, চন্দনাইশে অটোরিকশা ও কার মাইক্রো সমিতির সাথে লায়ন রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রাকৃতিক এ দুর্যোগে ফসলের পাশাপাশি গাছপালা ও বসতবাড়িরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের পূর্ব ইচলি এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আলমবিদিতর ইউনিয়নের সয়ড়াবাড়ি গ্রামসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, আগাম পাকা ধান ঘরে তোলার আগেই শিলাবৃষ্টিতে অনেক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। একইভাবে ভুট্টা ও সবজির ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

আরও পড়ুন, নরসিংদীতে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন জানান, ক্ষতি কমাতে যেসব ধান ৮০ শতাংশ পেকেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ভুট্টার ক্ষতি তুলনামূলক কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে অন্তত চারটি ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত