ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সরবরাহকৃত ব্রি ধান-৯২ বীজ ব্যবহার করে চাষাবাদে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। বীজে মিশ্রণ ও মানহীনতার অভিযোগ তুলে তারা দ্রুত তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলার নাওগাঁ, পুটিজানা ও রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, একই জমিতে ধানের গাছ ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। কোথাও ধান পেকে গেছে, কোথাও শীষ বের হওয়ার পর্যায়ে, আবার কোথাও এখনও থোড় অবস্থায় রয়েছে। ফলে একসঙ্গে ধান কাটতে না পারায় কৃষকরা যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি ফলন নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের খেলা অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা বিলপাড় এলাকার কৃষক ঈমান আলী বলেন, বিএডিসির বীজের ওপর ভরসা করে চাষ করেছিলাম। কিন্তু এখন একই জমিতে তিন ধরনের ধান দেখা যাচ্ছে। কোনটা আগে কাটব, তা বুঝতে পারছি না। একই এলাকার কৃষক আমিরুল ইসলাম বলেন, ঋণ করে বীজ, সার ও কীটনাশক কিনেছি। ফলন না হলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন, মেহেরপুরে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান, জেল-জরিমানা
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, বীজে মিশ্রণ না থাকলে একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ধান হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান বীজ হওয়ায় তারা আস্থা রেখেছিলেন, কিন্তু বাস্তবে সেই আস্থা নষ্ট হয়েছে বলে দাবি তাদের। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলেন, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হলে ভবিষ্যতে সরকারি বীজের প্রতি কৃষকদের আস্থা কমে যেতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সরবরাহকৃত ব্রি ধান-৯২ বীজ ব্যবহার করে চাষাবাদে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। বীজে মিশ্রণ ও মানহীনতার অভিযোগ তুলে তারা দ্রুত তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলার নাওগাঁ, পুটিজানা ও রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, একই জমিতে ধানের গাছ ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। কোথাও ধান পেকে গেছে, কোথাও শীষ বের হওয়ার পর্যায়ে, আবার কোথাও এখনও থোড় অবস্থায় রয়েছে। ফলে একসঙ্গে ধান কাটতে না পারায় কৃষকরা যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি ফলন নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের খেলা অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা বিলপাড় এলাকার কৃষক ঈমান আলী বলেন, বিএডিসির বীজের ওপর ভরসা করে চাষ করেছিলাম। কিন্তু এখন একই জমিতে তিন ধরনের ধান দেখা যাচ্ছে। কোনটা আগে কাটব, তা বুঝতে পারছি না। একই এলাকার কৃষক আমিরুল ইসলাম বলেন, ঋণ করে বীজ, সার ও কীটনাশক কিনেছি। ফলন না হলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন, মেহেরপুরে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান, জেল-জরিমানা
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, বীজে মিশ্রণ না থাকলে একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ধান হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান বীজ হওয়ায় তারা আস্থা রেখেছিলেন, কিন্তু বাস্তবে সেই আস্থা নষ্ট হয়েছে বলে দাবি তাদের। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলেন, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হলে ভবিষ্যতে সরকারি বীজের প্রতি কৃষকদের আস্থা কমে যেতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন