দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রপ্তানিতে টানা পতন, আমদানিতে উল্লম্ফন চাপে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার

রপ্তানিতে টানা পতন, আমদানিতে উল্লম্ফন চাপে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার
দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ক্রমেই বাড়ছে চাপ

দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ক্রমেই বাড়ছে চাপ। রপ্তানি আয় টানা কয়েক মাস ধরে নিম্নমুখী থাকলেও একই সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়ে চলেছে। ফলে রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধান দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাণিজ্য ঘাটতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬.৯১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৩.৭১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ঘাটতি বেড়েছে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম। বিশেষ করে মার্চ মাসে রপ্তানি বড় ধসের মুখে পড়ে, যেখানে পতন হয় প্রায় ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

আরো পড়ুন , দেশের জ্বালানি মজুত মাত্র ৩ মাস, বড় ঝুঁকির সতর্কতা পিআরআই’র

তৈরি পোশাক, চামড়া, হোম টেক্সটাইল ও পাটজাত পণ্যের মতো প্রধান খাতগুলোতে এই পতনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে আমদানি দাঁড়িয়েছে ৪৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও বেড়েছে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এই সংকটকে আরও জটিল করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ সুদহার ও জ্বালানি সংকটের কারণে রপ্তানি খাতেও অর্ডার কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর আরও চাপ ফেলতে পারে।

বিষয় : আমদানি রপ্তানি মুদ্রা বাজার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


রপ্তানিতে টানা পতন, আমদানিতে উল্লম্ফন চাপে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ক্রমেই বাড়ছে চাপ। রপ্তানি আয় টানা কয়েক মাস ধরে নিম্নমুখী থাকলেও একই সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়ে চলেছে। ফলে রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধান দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাণিজ্য ঘাটতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬.৯১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৩.৭১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ঘাটতি বেড়েছে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম। বিশেষ করে মার্চ মাসে রপ্তানি বড় ধসের মুখে পড়ে, যেখানে পতন হয় প্রায় ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

আরো পড়ুন , দেশের জ্বালানি মজুত মাত্র ৩ মাস, বড় ঝুঁকির সতর্কতা পিআরআই’র

তৈরি পোশাক, চামড়া, হোম টেক্সটাইল ও পাটজাত পণ্যের মতো প্রধান খাতগুলোতে এই পতনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে আমদানি দাঁড়িয়েছে ৪৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও বেড়েছে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এই সংকটকে আরও জটিল করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ সুদহার ও জ্বালানি সংকটের কারণে রপ্তানি খাতেও অর্ডার কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর আরও চাপ ফেলতে পারে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত