পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্র রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ চত্বরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে ৩১ জনকে নামীয় এবং আরও ৬০-৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।মামলার বাদী ছাত্রদলের সভাপতি খালেদ বিন পার্থিব অভিযোগ করেন, তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং অস্থায়ী কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়।অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। উপজেলা সভাপতি সজীব হোসেন দাবি করেন,
আরো পড়ুন , কানে মিলল দুই ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক লুকানোর নতুন কৌশল
তাদের বৈধ কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাই প্রথম হামলা চালায় এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটায়।ঘটনার সময় ককটেল ও হাতবোমা নিক্ষেপের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এতে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র রাজনীতির এমন সহিংসতা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। এ ধরনের ঘটনা রোধে প্রশাসন ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি।সব মিলিয়ে, ঈশ্বরদীর এই সংঘর্ষ আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সহনশীল রাজনীতির প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্র রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ চত্বরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে ৩১ জনকে নামীয় এবং আরও ৬০-৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।মামলার বাদী ছাত্রদলের সভাপতি খালেদ বিন পার্থিব অভিযোগ করেন, তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং অস্থায়ী কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়।অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। উপজেলা সভাপতি সজীব হোসেন দাবি করেন,
আরো পড়ুন , কানে মিলল দুই ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক লুকানোর নতুন কৌশল
তাদের বৈধ কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাই প্রথম হামলা চালায় এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটায়।ঘটনার সময় ককটেল ও হাতবোমা নিক্ষেপের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এতে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র রাজনীতির এমন সহিংসতা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। এ ধরনের ঘটনা রোধে প্রশাসন ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি।সব মিলিয়ে, ঈশ্বরদীর এই সংঘর্ষ আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সহনশীল রাজনীতির প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন