দুই দশকেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসন শেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে দলটি। তবে ক্ষমতায় আসার পরপরই নতুন সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে একাধিক জটিল চ্যালেঞ্জ।আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা সংস্থা International Crisis Group তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলেছে,
রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি হলেও এখন দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন ও পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ অর্থনীতিকে নাজুক করে তুলেছে।এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।ক্রাইসিস গ্রুপের মতে, পুলিশ ও প্রশাসনকে
আরো পড়ুন , সয়াবিন তেল সংকট: সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, দুর্নীতি দমন এবং বিচারব্যবস্থায় আস্থা ফেরানো এখন জরুরি সংস্কার এজেন্ডা।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা বিবেচনায় রেখে সমঝোতার পথ খুঁজতে হবে। পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এখন বড় কূটনৈতিক ইস্যু।সবশেষে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, নির্বাচনের পরবর্তী সীমিত সময়ের মধ্যে যদি সরকার দৃশ্যমান উন্নয়ন ও সংস্কার না দেখাতে পারে, তাহলে জনঅসন্তোষ আবারও বাড়তে পারে এবং নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
দুই দশকেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসন শেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে দলটি। তবে ক্ষমতায় আসার পরপরই নতুন সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে একাধিক জটিল চ্যালেঞ্জ।আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা সংস্থা International Crisis Group তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলেছে,
রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি হলেও এখন দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন ও পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ অর্থনীতিকে নাজুক করে তুলেছে।এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।ক্রাইসিস গ্রুপের মতে, পুলিশ ও প্রশাসনকে
আরো পড়ুন , সয়াবিন তেল সংকট: সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, দুর্নীতি দমন এবং বিচারব্যবস্থায় আস্থা ফেরানো এখন জরুরি সংস্কার এজেন্ডা।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা বিবেচনায় রেখে সমঝোতার পথ খুঁজতে হবে। পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এখন বড় কূটনৈতিক ইস্যু।সবশেষে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, নির্বাচনের পরবর্তী সীমিত সময়ের মধ্যে যদি সরকার দৃশ্যমান উন্নয়ন ও সংস্কার না দেখাতে পারে, তাহলে জনঅসন্তোষ আবারও বাড়তে পারে এবং নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন