দেশের ভোজ্যতেল বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে।ভোক্তা অধিকার সংগঠন ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকার পরও মিল পর্যায়ে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রায় উধাও হয়ে গেছে। এই সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা বেড়ে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এ বিষয়ে কনজ্যুমার্স
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন জানিয়েছেন, দেশের মাত্র ৪ থেকে ৫টি বড় কোম্পানি বাজারের প্রায় ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তারাই সময়ে সময়ে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও সরকার এখনো অনুমোদন দেয়নি, তবুও বাজারে নতুন দামে বিক্রির
আরো পড়ুন , রোহিঙ্গা সংকট এড়াতে শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা জরুরি: সেনাপ্রধান
অভিযোগ উঠেছে।এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ও কড়া নির্দেশনার পরও বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ ২০ কার্টনের জায়গায় মাত্র ২ থেকে ৪ কার্টনে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রায় অদৃশ্য। এক ও দুই লিটারের বোতল নেই বললেই চলে। ফলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে খোলা তেল বেশি দামে কিনছেন।ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের অস্থিরতা ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিগুলো দাম সমন্বয়ের দাবি তুলছে। তবে ভোক্তা সংগঠনগুলো এটিকে সরাসরি সিন্ডিকেট কারসাজি হিসেবে দেখছে।বর্তমানে বাজারে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন তেল মজুত রয়েছে এবং আরও বড় পরিমাণ তেল পাইপলাইনে আছে বলে সরকার দাবি করছে। তারপরও সংকট কেন তৈরি হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিশ্লেষকদের মতে, বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের সংকট আরও গভীর হতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ভোজ্যতেল বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে।ভোক্তা অধিকার সংগঠন ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকার পরও মিল পর্যায়ে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রায় উধাও হয়ে গেছে। এই সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা বেড়ে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এ বিষয়ে কনজ্যুমার্স
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন জানিয়েছেন, দেশের মাত্র ৪ থেকে ৫টি বড় কোম্পানি বাজারের প্রায় ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তারাই সময়ে সময়ে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও সরকার এখনো অনুমোদন দেয়নি, তবুও বাজারে নতুন দামে বিক্রির
আরো পড়ুন , রোহিঙ্গা সংকট এড়াতে শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা জরুরি: সেনাপ্রধান
অভিযোগ উঠেছে।এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ও কড়া নির্দেশনার পরও বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ ২০ কার্টনের জায়গায় মাত্র ২ থেকে ৪ কার্টনে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রায় অদৃশ্য। এক ও দুই লিটারের বোতল নেই বললেই চলে। ফলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে খোলা তেল বেশি দামে কিনছেন।ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের অস্থিরতা ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিগুলো দাম সমন্বয়ের দাবি তুলছে। তবে ভোক্তা সংগঠনগুলো এটিকে সরাসরি সিন্ডিকেট কারসাজি হিসেবে দেখছে।বর্তমানে বাজারে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন তেল মজুত রয়েছে এবং আরও বড় পরিমাণ তেল পাইপলাইনে আছে বলে সরকার দাবি করছে। তারপরও সংকট কেন তৈরি হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিশ্লেষকদের মতে, বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের সংকট আরও গভীর হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন