ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় গ্রেপ্তার অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং একজন আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সিরচর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠন সংশ্লিষ্ট চরহরিরামপুর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কবির খান (৫২)-কে সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়।গ্রেপ্তারের সময় তার সঙ্গে থাকা ২০–২৫ জনের একটি লাঠিয়াল বাহিনী পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আরো পড়ুন ,ভূঞাপুরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় মায়ের মৃত্যু, দুই সন্তান আহত
হামলাকারীরা এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই কাজী রিপন, এসআই মোজাম্মেল হক বিশ্বাস, এএসআই সোহেল গাজী ও কনস্টেবল উজ্জ্বল হোসেনকে কিল-ঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করে।পুলিশের দাবি, হ্যান্ডকাফ পরানোর পরপরই ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে লাঠিয়াল বাহিনী কবির খানকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।পুলিশ সদস্যদের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।চরভদ্রাসন থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু হঠাৎ হামলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় গ্রেপ্তার অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং একজন আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সিরচর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠন সংশ্লিষ্ট চরহরিরামপুর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কবির খান (৫২)-কে সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়।গ্রেপ্তারের সময় তার সঙ্গে থাকা ২০–২৫ জনের একটি লাঠিয়াল বাহিনী পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আরো পড়ুন ,ভূঞাপুরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় মায়ের মৃত্যু, দুই সন্তান আহত
হামলাকারীরা এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই কাজী রিপন, এসআই মোজাম্মেল হক বিশ্বাস, এএসআই সোহেল গাজী ও কনস্টেবল উজ্জ্বল হোসেনকে কিল-ঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করে।পুলিশের দাবি, হ্যান্ডকাফ পরানোর পরপরই ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে লাঠিয়াল বাহিনী কবির খানকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।পুলিশ সদস্যদের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।চরভদ্রাসন থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু হঠাৎ হামলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন