বান্দরবানের লামায় এসএসসি পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র না পাওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে এক শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার নির্ধারিত কেন্দ্র ছিল লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে উপস্থিত হলেও প্রবেশপত্র না থাকায় তাকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর কান্না করতে করতে কেন্দ্র ত্যাগ করে রাকিবুল।
আরও পড়ুন, সংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির ছোঁয়া: মারমা সম্প্রদায়ের পাশে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের এক অফিস সহকারী তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে পরীক্ষার মাত্র ৫ মিনিট আগেও প্রবেশপত্র দেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে কোনো প্রবেশপত্র পায়নি।রাকিবুল ইসলাম বলেন, আমার রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু আমাকে এডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি। আমি পরীক্ষায় অংশ নিতে চেয়েছিলাম।” অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেনি এবং সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী ছিল না। এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা ছিনতাই, ৫ পুলিশ আহত
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রহরী শাহীন দীর্ঘদিন ধরে অর্থের বিনিময়ে নানা অনিয়মে জড়িত। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।রাকিবুল ইসলামের পরিবারের দাবি, তার মা নিজের স্বর্ণ বন্ধক রেখে প্রহরী শাহীনের কাছে টাকা দিয়েছেন, যাতে তার ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। তবুও শেষ পর্যন্ত সে পরীক্ষায় বসতে পারেনি। স্থানীয় এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে—একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা ও অবহেলার দায় নেবে কে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
বিষয় : বান্দরবান এসএসসি শিক্ষার্থী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানের লামায় এসএসসি পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র না পাওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে এক শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার নির্ধারিত কেন্দ্র ছিল লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে উপস্থিত হলেও প্রবেশপত্র না থাকায় তাকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর কান্না করতে করতে কেন্দ্র ত্যাগ করে রাকিবুল।
আরও পড়ুন, সংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির ছোঁয়া: মারমা সম্প্রদায়ের পাশে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের এক অফিস সহকারী তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে পরীক্ষার মাত্র ৫ মিনিট আগেও প্রবেশপত্র দেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে কোনো প্রবেশপত্র পায়নি।রাকিবুল ইসলাম বলেন, আমার রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু আমাকে এডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি। আমি পরীক্ষায় অংশ নিতে চেয়েছিলাম।” অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেনি এবং সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী ছিল না। এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা ছিনতাই, ৫ পুলিশ আহত
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রহরী শাহীন দীর্ঘদিন ধরে অর্থের বিনিময়ে নানা অনিয়মে জড়িত। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।রাকিবুল ইসলামের পরিবারের দাবি, তার মা নিজের স্বর্ণ বন্ধক রেখে প্রহরী শাহীনের কাছে টাকা দিয়েছেন, যাতে তার ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। তবুও শেষ পর্যন্ত সে পরীক্ষায় বসতে পারেনি। স্থানীয় এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে—একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা ও অবহেলার দায় নেবে কে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন