দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ভুল কীটনাশকে এক একর ধান নষ্ট, ক্ষতিপূরণ চান বর্গাচাষী

ভুল কীটনাশকে এক একর ধান নষ্ট, ক্ষতিপূরণ চান বর্গাচাষী
ভুল কীটনাশকে এক একর ধান নষ্ট

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ভুল কীটনাশক প্রয়োগে এক বর্গাচাষীর এক একর ধানক্ষেত নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কীটনাশক বিক্রেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের গন্তব্যপুর গ্রামের কৃষক বাবুল সুদ ও ঋণ নিয়ে এক একর জমি বর্গা নিয়ে ধান চাষ করেন। সম্প্রতি তার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে স্থানীয় গন্তব্যপুর বাজারের ‘সততা ট্রেডার্স’ থেকে কীটনাশক নেন। দোকান মালিক আমির হোসেন তাকে ‘নীল প্লাস’ পাউডার ও ‘সিলেকশন’ নামের তরল কীটনাশক দেন বলে দাবি করেন তিনি।কৃষক বাবুলের অভিযোগ, ওই কীটনাশক প্রয়োগের পরই তার ধানক্ষেত পুড়ে যায় এবং সম্পূর্ণ ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এতে তিনি আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

আরো পড়ুন ,সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো বেকারত্ব দূর করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

এ ঘটনায় তিনি রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কীটনাশক বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, তিনি সঠিক ওষুধ দিয়েছেন। তার দাবি, কৃষক নিজেই অন্য কীটনাশক মিশিয়ে ব্যবহার করায় এই ক্ষতি হয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বিক্রেতার দায় প্রমাণিত হলে তার লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে আগে জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে যাননি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাবুল তার নষ্ট হওয়া ফসলের ক্ষতিপূরণ দাবি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিষয় : অভিযোগ ক্ষতিপূরণ কীটনাশক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ভুল কীটনাশকে এক একর ধান নষ্ট, ক্ষতিপূরণ চান বর্গাচাষী

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ভুল কীটনাশক প্রয়োগে এক বর্গাচাষীর এক একর ধানক্ষেত নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কীটনাশক বিক্রেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের গন্তব্যপুর গ্রামের কৃষক বাবুল সুদ ও ঋণ নিয়ে এক একর জমি বর্গা নিয়ে ধান চাষ করেন। সম্প্রতি তার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে স্থানীয় গন্তব্যপুর বাজারের ‘সততা ট্রেডার্স’ থেকে কীটনাশক নেন। দোকান মালিক আমির হোসেন তাকে ‘নীল প্লাস’ পাউডার ও ‘সিলেকশন’ নামের তরল কীটনাশক দেন বলে দাবি করেন তিনি।কৃষক বাবুলের অভিযোগ, ওই কীটনাশক প্রয়োগের পরই তার ধানক্ষেত পুড়ে যায় এবং সম্পূর্ণ ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এতে তিনি আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

আরো পড়ুন ,সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো বেকারত্ব দূর করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

এ ঘটনায় তিনি রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কীটনাশক বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, তিনি সঠিক ওষুধ দিয়েছেন। তার দাবি, কৃষক নিজেই অন্য কীটনাশক মিশিয়ে ব্যবহার করায় এই ক্ষতি হয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বিক্রেতার দায় প্রমাণিত হলে তার লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে আগে জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে যাননি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাবুল তার নষ্ট হওয়া ফসলের ক্ষতিপূরণ দাবি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত